
মুনীরুল ইসলাম
মুনীরুল ইসলাম
সকল লেখা

সেহরি না খেলে কি রোজা হবে
‘সেহরি’ শব্দটি আরবি ‘সাহর’ বা ‘সুহুর’ থেকে উদ্ভূত। যার অর্থ রাতের শেষাংশ বা ভোররাত। সেহরি অর্থ শেষ রাতের বা ভোররাতের খাবার। সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে আহার করা হয়, একে শরিয়তের পরিভাষায় সেহরি বলা হয়। রোজা রাখার নিয়তে সেহরি খাওয়া সুন্নত।

মহানবী (সা.)-এর বিজয় উদ্যাপন ও আমাদের শিক্ষা
বিজয় মানুষের চিরন্তন স্বপ্ন। এই শব্দের মধ্যে আছে পরিশ্রমের দীপ্তি, ত্যাগের চিহ্ন ও আনন্দের সূর্যোদয়। ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে, বিজয় মানে আত্মতৃপ্তি নয়, বরং বিনয়; উল্লাস নয়, কৃতজ্ঞতা; প্রতিশোধ নয়, ক্ষমা। বিজয় ইসলামে একধরনের আত্মশুদ্ধি, যেখানে মানুষ আল্লাহর...

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রয়োজন ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ
বাংলাদেশ একটি মুসলিমপ্রধান দেশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৯১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। ইসলাম শুধু একটি ধর্ম নয়, এটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এবং নৈতিকতা, শিষ্টাচার, মানবিকতা ও সমাজ গঠনের পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। এই ইসলামের বনিয়াদি শিক্ষা যদি শিশু বয়সেই আগামী প্রজন্মের হৃদয়ে সঞ্চারিত...

সেহরির তাৎপর্য, গুরুত্ব ও বিধান
‘সেহরি’ শব্দটি আরবি ‘সাহর’ বা ‘সুহুর’ থেকে উদ্ভূত। এর অর্থ রাতের শেষাংশ বা ভোররাত। সেহরি অর্থ শেষ রাতের বা ভোররাতের খাবার। সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে আহার করা হয়, একে শরিয়তের পরিভাষায় সেহরি বলা হয়।

রমজান আল্লাহভীতি শেখায়
মুসলমানদের জন্য বড় নিয়ামত ও ফজিলতের মাস রমজান। অন্যায় বর্জন করে তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জনের মাস এটি। এ সম্পর্কে আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)

মৃত্যুর আগেই জান্নাতের সুখবর পেয়েছিলেন যাঁরা
সাহাবায়ে কেরাম হলেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সরাসরি সান্নিধ্যপ্রাপ্ত সফল মানুষ। নবী-রাসুলদের পর তাঁরাই আল্লাহ তাআলার প্রিয় মানুষ। সবচেয়ে বেশি অনুসরণীয়। আল্লাহ তাআলা তাঁদের সম্পর্কে বলেন, ‘এই সম্পদ নিঃস্ব মুহাজিরদের জন্য ও যাদের নিজেদের ঘর-বাড়ি ও ধনসম্পত্তি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। অথচ এরা

ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত
আরবি ইতিকাফ অর্থ অবস্থান করা। শরিয়তের পরিভাষায়, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতসহকারে নিয়মিত আদায় করা হয় এমন মসজিদগুলোয় আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে নিয়তসহ অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলে। মাহে রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা কিফায়া। মহল্লার কয়েকজন আদায় করলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু কেউই

রমজানে গুনাহের ক্ষমা চাওয়ার গুরুত্ব
মাগফিরাত বা ক্ষমার বারতা নিয়ে শুরু হয় মাহে রমজানের দ্বিতীয় দশক। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত লাভের এবং তৃতীয় ১০ দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের।’ (মিশকাত)

মাগফেরাতের রমজান: পৃথিবীর সমান গুনাহও আল্লাহ ক্ষমা করে দেন
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পরম ক্ষমাশীল। তিনি বান্দাকে ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। ক্ষমা করার বাহানা খোঁজেন। তাঁর সুন্দরতম গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে ক্ষমা সম্পর্কিত অনেক নাম রয়েছে। এখানে তেমনই কয়েকটি নামের বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো—

রমজানে নারীরা যেসব আমল করবেন
সাধারণত নারীদের বাইরের ব্যস্ততা কম থাকে। ঘরোয়া পরিবেশেই কাটে রোজার দিনগুলো। ফলে তাদের পক্ষে রমজানের পূর্ণ ফজিলত ও বরকত লাভ করা অনেকাংশে সহজ। তাই তাদের রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগিয়ে সফলতার দ্বার উন্মোচন করা উচিত।

রহমতের রমজান: রোজার বিশেষ মর্যাদার ১০ কারণ
রোজা মুমিনের জন্য আল্লাহ তাআলার অপার দান। রোজাদারদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। অনেক গুরুত্ব, তাৎপর্য ও পুরস্কার মণ্ডিত এই রোজা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে রমজান হাজির হয়েছে। রমজান এক বরকতময় মাস। আল্লাহ তোমাদের জন্য এই মাসে রোজা পালন করা ফরজ ক

সাহ্রির ফজিলত ও আদব
‘সাহ্রি’ শব্দটি আরবি ‘সাহর’ বা ‘সুহুর’ থেকে উদ্ভূত। এর অর্থ রাতের শেষাংশ বা ভোররাত। সাহ্রি অর্থ শেষ রাতের বা ভোর রাতের খাবার। সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে আহার করা হয়, একে শরিয়তের পরিভাষায় সাহ্রি বলা হয়। রোজা রাখার নিয়তে সাহ্রি খাওয়া সুন্নত। রমজান মাসে সাহ্রির সময় মুসলিম বিশ্বে এক অন্য রকম আব

রমজানের রোজা রাখা ফরজ
রমজানের রোজা ইসলামের পাঁচ মৌলিক বিষয়ের একটি। ইসলামি বিধান অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে সুস্থ, শরিয়তের দৃষ্টিতে মুসাফির নয় এবং শারীরিক-মানসিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলিমের জন্য রোজা রাখা ফরজ। আরবিতে রোজাকে সাওম বলা হয়, আর রোজা পালন করাকে সিয়াম বলা হয়।

সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)
হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদের জন্য রহমতস্বরূপ পৃথিবীতে এসেছেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘আমি আপনাকে জগৎসমূহের জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) পৃথিবীতে এসে বিশ্ব মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সংহতি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।

গালাগালি করা মুমিনের কাজ নয়
গালাগালি করা অত্যন্ত নিকৃষ্ট স্বভাব। মুনাফিক ব্যক্তিই অন্যের সঙ্গে কলহ-বিবাদে লিপ্ত হলে মুখ খারাপ করে এবং অবলীলায় অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করে। যাপিত জীবনে কত রকম মানুষের সঙ্গেই মেলামেশা ও লেনদেন করতে হয়। এতে কখনো কখনো মতের অমিল দেখা

জুমার দিন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
জুমার দিন সপ্তাহের সেরা দিন। সাপ্তাহিক ঈদের দিন। মুসলমানদের জন্য এটি মহান দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন। এই দিনের অনেক গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য রয়েছে
