
ফজলুল কবির, ঢাকা
ফজলুল কবির, ঢাকা
সকল লেখা

ভেঙে যাচ্ছে স্মৃতির সিঁড়ি
এই গণগ্রন্থাগারের সিঁড়ি তো বিখ্যাত হয়ে আছে নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে প্রচারিত ধারাবাহিক বা সাপ্তাহিক নাটকের কল্যাণে। এর সিঁড়িতে বসে তৌকীর আহমেদ, বিপাশা হায়াত, জাহিদ হাসান, শমী কায়সারেরা কত যে প্রেম করেছেন। গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে বই সরাতে গিয়ে কত নায়ক-নায়িকার চার চোখের মিলন হয়েছে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই।

মুন্না এখন মাস্ক বিক্রি করেন নীলক্ষেতে
ঝাঁজালো রোদ। সূর্যের দাপটে সবারই নাভিশ্বাস উঠছে। শরতের স্বচ্ছ আকাশ একদিকে স্বস্তি দিচ্ছে, মন ভালো করে দিচ্ছে। অন্যদিকে ঝাঁজালো রোদের কারণে গরমে নাকাল হতে হচ্ছে কর্মব্যস্ত মানুষদের। বিশেষত রাস্তাতেই যাদের কাজ, তাদের অবস্থা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

যখন উদ্বাস্তু গাছ-পাখিদের সংসার
ফেরার সময়ই দেখা হলো কাঁটাতারের জালিতে আটকে পড়া পাখিদের সঙ্গে। সেখানে লক্ষ্মীপ্যাঁচার সঙ্গে চোখাচোখি এড়িয়ে চোখ পড়ে গিয়ে বকের ওপর, সেখান থেকে সরালে চোখ যায় চড়ুইর ডানায়। পাশ থেকে শালিক ডেকে বলছে যেন, ‘আমায় দেখ।’ সবাই যেন একবাক্যে একই কথা বলছে—দেখ কী করে, কাদের তাড়িয়েছ তোমরা।’ থমকে...

‘স্কুল খুইলাছে রে’
অবশেষে আবার আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠছে পাখিরা। তার সঙ্গে কিচিরমিচির নয়, হই হই ধ্বনিতে জেগে উঠছে শহরও। এমন দৃশ্যের কল্পনা কত দিন ধরে করছে এই শহরের মানুষ। কিন্তু এর বাস্তবায়ন শুধু দীর্ঘায়িতই হয়েছে বারবার। বারবার করোনা নামের এক অণুজীব এসে শিশু-কিশোরদের প্রিয় প্রাঙ্গণের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন্ধুদের দী

‘এমনে তো শহরে টিকতে পারবেন না’
বাবুবাজার ব্রিজের সামনে বেজায় ভিড়। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেল সব বেশ কসরত করে চলছে। অবশ্য পুরান ঢাকার অলিগলিতে এটা রোজকার দৃশ্য। একটু আগেই বৃষ্টি হয়েছে। প্যাচপেচে না হলেও কাদাজল আছে রাস্তায়। যেতে হবে অনেকটা পথ।

জিম্মি করে টিকা বাণিজ্য
করোনাভাইরাস মহামারির এই দুঃসময়ে গোটা বিশ্বকে আশার আলো দেখিয়েছে টিকা। সরকারি অর্থায়নে বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে রেকর্ড সময়ের মধ্যে কোভিডের টিকার নাগাল পেয়েছে বিশ্ব।

খাবার অর্ডার দিলে কে আসে এগিয়ে
রাজধানীর সড়কগুলোয় গাড়ি চলাচল আগের চেয়ে এখন বেশি থাকলেও সবাইকে একটু সমঝে চলতে হচ্ছে। সাধ্য অনুযায়ী তা করছেও। যতটা যা ভাঙছে, তার পেছনে আছে ক্ষুধা, তথা উপার্জনের সমীকরণ। রাস্তায় বেরোনো রিকশা বা অটোরিকশাগুলোকে অনেক কিছু ডিঙিয়ে সওয়ারি খুঁজতে হচ্ছে।

ভুলে যাওয়ার দিন শেষ!
কে আমারে যেন এনেছে ডাকিয়া/এসেছি ভুলে।’ না, আক্ষরিক অর্থেই এমন নয়। কিংবা রবিঠাকুরের এই প্রেম-কাব্যের মতো নয়। বয়সের কারণে যে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয় অনেক মানুষের মধ্যে, তা রীতিমতো বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
