
শুভাশীষ ভট্টাচার্য্য তুষার, চাটমোহর (পাবনা)
শুভাশীষ ভট্টাচার্য্য তুষার, চাটমোহর (পাবনা)
সকল লেখা

তিনি এখন ‘মাল্টা ভাবি’
পাবনার চাটমোহর উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা শারমিন খাতুন। সম্বল শুধু বসতভিটা। কিন্তু পরিবারের কাজের পাশাপাশি নিজের আলাদা পরিচয় গড়ার স্বপ্ন ছিল তাঁর। তাই সাহস করে দুই বিঘা জমি চুক্তিতে নিয়ে গড়ে তুলেছেন মাল্টার বাগান।

চাটমোহরে বাড়ছে আউশের আবাদ, কম খরচে ভালো ফলন
পাবনার চাটমোহরে বোনা ও রোপা মিলিয়ে ১ হাজার ৪১৩ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। খরিপ-১ মৌসুমে ধান কাটা শেষের দিকে; কৃষকেরা বিঘাপ্রতি ১৬ থেকে ১৮ মণ ফলন পাচ্ছেন। কম সেচ ও উৎপাদন খরচের কারণে রোপা আউশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

ডিজেল-সংকটে চাটমোহরে বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কা
ডিজেল-সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বোরো ধান উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়া এবং খোলাবাজারে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে। এতে আর্থিক চাপের পাশাপাশি ফলন নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অতিথি পাখিতে মুখর চলনবিল, অসাধু শিকারির ফাঁদে হুমকিতে জীববৈচিত্র্য
এ বছর চলনবিলে বেশি নজর কেড়েছে বালিহাঁস, বক ও রাতচোরা প্রজাতির পাখি। তবে সব আনন্দ ম্লান করে দিচ্ছে অসাধু শিকারিদের দৌরাত্ম্য। কোথাও জাল, কোথাও বিষটোপ বা ফাঁদ পেতে নির্বিচারে ধরা হচ্ছে পরিযায়ী ও দেশি পাখি। এতে হুমকির মুখে পড়ছে বিলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য।

পাটের আবাদে ফিরেছে সুদিন, স্বপ্ন দেখছেন চাটমোহরের কৃষকেরা
ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের বালুদিয়ার গ্রামের চাষি জিয়ারুল হক বলেন, ‘গত বছর ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলাম। মোটামুটি দাম পাওয়ায় লোকসান হয়নি। এবার ৮ বিঘা জমিতে আবাদ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। ন্যায্য দাম পেলে ভালো লাভ হবে।’
