
মো. ইমরান হোসাইন, কর্ণফুলী
মো. ইমরান হোসাইন, কর্ণফুলী
সকল লেখা

‘ঘূর্ণিঝড় আসলেই ঘুম ভাঙে পানি উন্নয়ন বোর্ডের’
‘এহন ৮ নম্বর সিঙ্গেল চলর, বাপের ভিটা ছাড়িরে যাইগুই আশ্রয়কেন্দ্রে। আর এহুন পানি উন্নয়নের বোর্ডের মানুষরা আইছিদে কাজ দেহা বুললার।’ চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় আক্ষেপ নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন আনোয়ারা উপজেলার উপকূলীয় এলাকা রায়পুরের সৈয়দ মাঝির বাড়ির রেহানা আকতার (৬০) নামে এক বৃদ্ধা।

ভূগর্ভস্থ পানি তুলে নিচ্ছে কাফকো, নলকূপে পানি পাচ্ছে না দুই ইউনিয়নের মানুষ
খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলীর দুই ইউনিয়নে। দুই ইউনিয়নে অধিকাংশ নলকূপে পানি উঠছে না। আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়ন ও কর্ণফুলী উপজেলার বড় উঠান ইউনিয়নের অংশ থেকে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড গভীর নলকূপ স্থাপন

পাহাড়চূড়ায় প্রাচীন ঈদগাহ
সমতল থেকে প্রায় ১ হাজার ফুট উঁচু সবুজ পাহাড়টির নাম ‘দেয়াঙ’। তারই চূড়ায় ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে শতবর্ষী একটি বটগাছ। পাশের প্রশস্ত ঈদগাহজুড়ে সুশীতল ছায়ার ডালপালা মেলে ধরেছে গাছটি। তবে ঈদগাহ মাঠে অনাদরের ছাপ স্পষ্ট। কয়েক বছর ধরে ব্যবহার না থাকায় এবং সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে শত বছরের পু

নদী দখল করে ও গাছ কেটে কর্ণফুলীতে হচ্ছে কনটেইনার টার্মিনাল
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ড্রাই ডকের বিরুদ্ধে প্রায় ২১ একর নদীর চর দখল করে এবং অবৈধভাবে ম্যানগ্রোভ বনের দুই হাজার গাছ কেটে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে কাজ করছে বলে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করলেও নদী রক্ষা কমিশন বলছে, নদী দখল করে টার্মিনাল স্থাপনের অনুমতি সরকার দেয়নি।

‘ওদের বাবার শুধু একটা হাতই দেখাতে পেরেছি’
‘জাহাজ দুর্ঘটনার খবর শুনে কর্ণফুলীতে ছুটে আসি। জহিরুল ইসলামের দেহটা একদম গলে গেছে। ছোট্ট তিনটি বাচ্চাকে তাদের বাবার চেহারাটাও দেখতে পেল না। হাসপাতালে নিয়ে শুধু ওদের বাবার একটা হাতই দেখিয়েছি। ছোট মেয়েটা জিজ্ঞেস করেছিল, তার আব্বুর হাতে কী হয়েছে। উত্তর দিতে পারলাম না। বোনের তিন মাস বয়সে আমরা বাবাকে

সড়ক সেজেছে কৃষ্ণচূড়ায়
প্রকৃতির অপরূপ সাজে সেজেছে চট্টগ্রামের রাঙ্গাদিয়ায় অবস্থিত রাষ্ট্রীয় সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) সড়ক। প্রায় এক কিলোমিটার সড়কে গাছে গাছে ফুটে আছে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু ফুল। ফুলের সৌন্দর্য এখন নজর কাড়ছে সবার।

পাহাড় কেটে সমতলে রূপ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড় উঠান এলাকা থেকে আনোয়ারা বৈরাগ পর্যন্ত উঁচু পাহাড়ের সেই রূপ এখন বিলুপ্তির পথে। বাকি যে টিলা-পাহাড় রয়েছে, সেগুলো কেটে মাটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে ভরাট করে গড়ে উঠছে কারখানা, ইমারত, রাস্তা।

নামেই ফাস্ট ট্র্যাক, ম্যানুয়ালি আদায় করা হয় টোল
শাহ আমানত সেতুর (তৃতীয় কর্ণফুলী) টোল আদায় ও গাড়ি পারাপার দ্রুত করতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ফাস্ট ট্র্যাকের দুটি বুথ চালু করা হয়েছিল। দুই বছর পার হলেও এর সুফল মেলেনি। বর্তমানে সেতু কর্তৃপক্ষ সেই পুরোনো পদ্ধতিতেই করছে টোল আদায়। এতে সেতুতে প্রতিদিন লেগে থাকে আগের মতোই যানজট।

বালু ওড়ায় নাকাল মানুষ
পিচ-ঢালাই উঠে এখানে-ওখানে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। সড়ক বিভাজকের দুই পাশে জমেছে বালুর স্তূপ। কোনো যানবাহন এলে বা আচমকা বাতাসে ধুলা-বালু ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়

যত্রতত্র মেলে গ্যাস সিলিন্ডার বোতলভর্তি করে পেট্রল বিক্রি
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রলসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ। এক লিটার অথবা আধা লিটার ওজনের বোতলে পেট্রল বিক্রি হচ্ছে বাধা ছাড়াই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)

দক্ষিণ চট্টগ্রামে গুনতে হচ্ছে দুই-তিন গুণ ভাড়া
গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের হাজারো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাস বন্ধ থাকায় তিন চাকা ও দুই চাকার যানবাহনের চলাচল ছিল বেশি। তবে এসব যানবাহনে করে গন্তব্যে পৌঁছাতে

এবার দৃশ্যমান সংযোগ সড়ক
আর মাত্র বছর দেড়েকের অপেক্ষা। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বহুল প্রত্যাশিত প্রথম কর্ণফুলী টানেল বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল চালুর আশা করছে সরকার। এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে টানেলের দ্বিতীয় টিউবের খননকাজ।

বিয়েতে যৌতুকের চাপ
করোনাভাইরাসে মহামারির কারণে বড় পরিবর্তন এসেছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিয়ের অনুষ্ঠানে। কিছুদিন আগেও বিয়ের আয়োজনে হাজার মানুষের খাবার-দাবারের আয়োজন থাকত। কিন্তু এখন নগদ যৌতুকের চাপে আয়োজন ছোট করছে কনেপক্ষ। আবার এই সময়ে জেলার কর্ণফুলীতে জন্মনিবন্ধনে বয়স বদলে বেড়েছে বাল্যবিবাহ, যা ভাবিয়ে তুলেছে জনপ্রতিনিধি ও

৫ বছরেও হাসপাতাল পেল না কর্ণফুলীবাসী
প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পরও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় গড়ে ওঠেনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এতে করে উপজেলার আড়াই লাখের বেশি মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারির সময়ও চিকিৎসাসেবা পেতে হিমশিম খেতে হয়েছে জনসাধারণকে।

নদীপাড়ে শুঁটকি তৈরির ধুম
বাঁশ কিংবা কাঠের সারা সারি মাচা, তার ওপর বিছানো ছোট–বড় নানা জাত, নানা মাপের বাহারি মাছ। ছোট–বড় মাচার সংখ্যা এক শরও বেশি। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে লইট্যা, ফাইস্যা, চিংড়ি, ছুড়িসহ নানা প্রজাতির মাছ খোলা জায়গায় কড়া রোদে পুড়িয়ে শুটকি বানানো হয় এখানে।
