
মুহাম্মদ জাভেদ হাকিম
মুহাম্মদ জাভেদ হাকিম
সকল লেখা

ফুরমোন মানে ফুরফুরে মন
সেদিন ছিল সাপ্তাহিক হাটবার। সেই হাটে প্রায় আড়াই কেজি ওজনের দেশি মোরগ দেখে লোভ সামলাতে না পেরে কিনে নিই। পছন্দসই মোরগ পেয়ে ভারাক্রান্ত মনেও হেসে উঠি সবাই।

ঘুরে আসুন ফেঞ্চুগঞ্জ
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ। নামটার সঙ্গে সবার পরিচয় আছে নিশ্চয়। গিয়েছিলাম কয়েক দিন আগে। ফেরিঘাটের পাশে রাজনপুর গ্রামে হজরত শাহ্ মালুম (রহ.)-এর মাজার আছে। পাশেই আছে গাল্লিবিল। সহজ করে বললে, জায়গাটা খুবই নৈসর্গিক।

বর্ষায় ঝরনার গান
হরিণমারা দেখে, হাঁটুভাঙ্গা পেরিয়ে অজস্রধারা যাওয়ার পথেরও যে একটা গল্প তৈরি হতে পারে, সেটা জানা ছিল না। আগের দিন রাতে রওনা দিয়ে পরদিন খুব ভোরে পৌঁছেছিলাম মিরসরাই। ফজরের নামাজের পরই ছোট কমলদহ হয়ে চলে যাই একেবারে রেললাইন পার হয়ে বাউয়াছড়া উদ্যান। অতঃপর গাড়ি রেখে হাঁটা। কিছু দূর হাঁটতেই সবুজ ঘন অরণ্য।

রোমাঞ্চকর গুল্লাআলী খুমে একদিন
মস্তাননগর রেললাইন পার হয়ে আরও দক্ষিণে সোনাপাহাড় গ্রামের দিকে এগোতে থাকি। সেখানেই কোথাও একটি খুম আছে। এখন সেটাই আমাদের গন্তব্য। যেতে যেতে বুনো পথে ঢুকে পড়ি। নীরব-নিস্তব্ধ সরু পথে পাতা ঝরার শব্দ পাই। পথটুকু পেরোনোর পর চোখ আটকে গেল দুই পাহাড়ের মাঝখানের ঝিরিপথে। পাহাড় দুটো খাড়া হয়ে উঠে গেছে সেখানে। তার

অচেনা পথে টাঙ্গাইল
বাইক চলছে। উয়ারশী পার হয়ে মির্জাপুরের মহাসড়কে। যেতে যেতে পথের ধারে মন টানার মতো কোনো দৃশ্য দেখলেই থেমে যাই। ছবি তুলে স্মৃতি করে রেখেছি। বিকেলে পৌঁছাই গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের তীরঘেঁষা দক্ষিণ পাথালিয়া জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে। মসজিদটি ২০১ গম্বুজবিশিষ্ট। এর মধ্যে একটি গম্বুজ ৮১ ফুট উঁচু। সুমধুর সুরে

বাতিঘরের দ্বীপ কুতুবদিয়া
যেখানে রাত সেখানেই কাত—এ কথা ভাবতে ভাবতে এবারের গন্তব্য ঠিক করা হলো কুতুবদিয়া দ্বীপ। কক্সবাজারগামী রাতের গাড়িতে চড়ে ভোরের বদলে দুপুরে পৌঁছাই চকরিয়ায়। ততক্ষণে ভ্রমণ পরিকল্পনা নতুন করে সাজাতে মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ দিতে হয়েছে।

নয়নাভিরাম সন্দ্বীপ
বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতাসহ ভুবনবিখ্যাত অনেক পর্যটকই সন্দ্বীপের প্রেমে পড়েছিলেন বলে শোনা যায়। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কবি কাজী নজরুল ইসলামও মুগ্ধ হয়েছিলেন। সন্দ্বীপের প্রেমে না পড়ে উপায় আছে! ভাঙতে ভাঙতে ছোট হয়ে যাওয়া বর্তমান সন্দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে অনুমান করা যায়, ইবনে বতুতা কেন এর প্রেমে

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধিতে
হুটহাট সিদ্ধান্ত হলো, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের বন্ধুরা মিলে রাঙামাটি যাব। যেমন কথা তেমন কাজ। রাতে বাসে উঠে সকালে গিয়ে নামলাম। এবারের ভ্রমণ ছিল অনেকটা উদ্দেশ্যহীন। রাঙামাটি যাওয়ার পর কী দেখব, কোথায় কোথায় যাব, তার কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না।

ঝটিকা ভ্রমণে চাঁদপুরে
সময়ের অভাবে কোথাও যেতে পারছেন না? তাহলে কোনো চিন্তা নেই। কোনো এক ছুটির দিন ঝটিকা সফরে বেরিয়ে পড়ুন চাঁদপুরের দিকে। সড়ক ও নৌপথ— দুভাবেই যাওয়া যায় চাঁদপুরে। সেখানে যাওয়ার পরে সারা দিন বা আধা বেলার জন্য অটোরিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিজার্ভ

ছুটেছে মন মেলকুম
মিরসরাই এক অপার রহস্যঘেরা জায়গার নাম, বিষয়টি অনেকেই জানেন না। এর পরতে পরতে রয়েছে সৌন্দর্য আর রহস্যঘেরা জানা-অজানা বিভিন্ন নামের খুম বা কুম। তেমনি একটি হলো মেলখুম বা মেলকুম। অনেকেই এর হদিস

হাওরের গায়েবি মসজিদের পথে
মোটরবাইকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের উদ্দেশে ছুটলাম। যেতে যেতে মাঝেমধ্যে নানান জায়গায় ব্রেক কষে আলাপ জমিয়েছিলাম স্থানীয়দের সঙ্গে। বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে সুখ-দুঃখের ধারণা পেতে পেতে সময় গড়িয়ে রাত আটটায় পৌঁছাই কিশোরগঞ্জে। শোলাকিয়া ঈদগাহ

ঢাকার পাশে: ঘর হতে দুই পা ফেলিয়া
প্রতিটি ঋতুর একটি করে টপ রেটিং বিষয় থাকে। শীতে ভ্রমণ রেটিংয়ের টপে থাকে হলুদ ফুলের সরিষাখেত। বাঙালির জন্য এটি মোটামুটি বাই ডিফল্ট। এর জন্য যে আপনাকে অনেক টাকাপয়সা ব্যয় করে দূর-দূরান্তে যেতে হবে, তা নয়। নিজের গ্রামেই একবার ঘুরে দেখতে পারেন। তবে ঢাকার লোকজনের একটুখানি বাইরে তো যেতেই হবে শীত আর সরিষাখেত

ভ্রমণে যা মনে রাখবেন
আগে আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষেরই ধ্যানধারণা ছিল, শীতকালটাই শুধু ভ্রমণের মৌসুম। কিন্তু এখন তা অনেকটাই বদলে গেছে। এই বদলে যাওয়ার ফলে মানুষ এখন সারা বছরই নিজেদের সুযোগমতো ঘুরে

নদীর নাম তারাছা
অনেক দিন হয় যাই যাই করেও যাওয়া হচ্ছিল না পাহাড়ি নদী তারাছার কাছে। কারণ এই নদী দেখতে গেলেই দেখা হয়ে যাবে দেবতাখুম। সুযোগ মিলে যাওয়ায় একমুহূর্ত দেরি না করে দে ছুট। রাতের গাড়িতে চড়ে ছুটলাম বান্দরবান। বাস যখন বান্দরবান ঢুকছে...

এক দিনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ
চট্টগ্রাম ডাকছিল অনেক দিন থেকে। অপার্থিব মায়াবী প্রকৃতির সন্ধানে একদিন রাতে হুট করে আমরা ছয়জন বের হয়ে যাই সে পথে। রাত ১২টায় মাইক্রোবাসের তরুণ ড্রাইভার চার লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম

নয়নাভিরাম অমিয়াখুম
খুম খুম খুম অমিয়াখুম। এটি স্থানীয় শব্দ। যাঁরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য অমিয়াখুম ভালো ভ্রমণ গন্তব্য হতে পারে। ভ্রমণবিষয়ক ফিচার লেখক এক পরিচিতজনের মাধ্যমে অমিয়াখুমের সৌন্দর্যের বর্ণনা যখন জানতে পারি, তখন থেকেই সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু।
