
মামুনুর রশীদ নাট্যব্যক্তিত্ব
মামুনুর রশীদ নাট্যব্যক্তিত্ব
সকল লেখা

দুর্নীতির শাখা-প্রশাখা
বেশ কিছু দিন ধরেই সকালের সবাদপত্র খুললে বা টেলিভিশন দেখলেই অসম্ভব সব মৃত্যুর খবর সবার জীবন-যাপনকে স্থবির করে দেয়। কিছুদিন দেখা গেল ধর্ষণ ও ধর্ষণের হত্যার খবর। তারপর খুব সহজেই যেন শিশু হত্যা ঘটছে। আবার আরেকজনের ভাত খেয়ে ফেলার অপরাধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে হত্যা। এসব হত্যার ঘটনা তো অবিরাম ঘটেই চলছে।

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে ভাবনা
বানভাসি, দারিদ্র্য, অভাব-অনটন, রাজনৈতিক উত্থান-পতন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি—এসবকে ছাপিয়ে গত এক মাস দেশের মানুষ একটানা ফুটবলের ঘোর ও স্বপ্নের মধ্যে দিন-রাত কাটিয়েছে। এর মধ্যে তাদের জীবনে এসেছে কখনো আনন্দ, কখনো বিষাদ। শুধু আমাদের দেশেই নয়, সারা বিশ্বেই সংক্রমিত হয়েছে এই ফুটবল-জ্বর।

বিড়ম্বনাময় এবারের ঈদযাত্রা
প্রতিটি ঈদেই পথে নানা ধরনের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় মানুষ মারা যায়, ব্যাপক যানজট হয়—এ যেন আমাদের অমোঘ নিয়তি। এবারের ঈদযাত্রায় আমি নিজেই শুধু সাক্ষী নই, একজন ভুক্তভোগীও। ২৬ মে সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করি। মাত্র দুই ঘণ্টার পথ। টঙ্গী, গাজীপুর পার হতে তেমন একটা সময় লাগল না।

সর্বক্ষেত্রে জাগরণ দরকার
আমরা কি বারবার এইসব লোককে দিয়ে রাষ্ট্র শাসন করব? যদিও মোগল সাম্রাজ্যের পতনের পর কোনো শাসকই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। নানা ধরনের দুর্বলতার কারণে তাঁরা রাষ্ট্র শাসনে অক্ষম হয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে এত বড় ভারতবর্ষ রাষ্ট্রটাকে বিক্রি করে দিয়েছেন।

মানুষ কী করে বাঁচবে
মানুষ সংঘবদ্ধভাবে নানা লড়াই ও সংগ্রামের পর একটি রাষ্ট্র নির্মাণ করে। একটি সীমানার মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও আয়ের মানুষ তাদের প্রয়োজনমতো জীবিকার নিশ্চয়তা চায়। মানুষ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানায়। রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকে একটি সরকার, যারা সাধারণত জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হয়।

পয়লা বৈশাখ এবং শিল্প-সমৃদ্ধ ভাবনা
সংস্কৃতিমন্ত্রী এবারের পয়লা বৈশাখের আয়োজন নিয়ে অনেকগুলো ইতিবাচক কথা বলেছেন, তার মধ্যে একটি হলো পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম মঙ্গল শোভাযাত্রাই থাকবে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি নামটি পরিবর্তন করে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামকরণ করেন।

একজন সাধারণ নাগরিক ও বাংলাদেশ
আমরা যাঁরা ষাটের দশকের ছাত্র, তাঁরা কারণে-অকারণে অনেক সময়ই ঈর্ষার কারণ হয়ে পড়ি। অনেক তরুণ কখনো উত্তেজিত হয়েই বলে ফেলে, কী এমন করেছেন যে ষাটের দশক একটা ব্যাপার বটে! পঞ্চাশের দশকেরই একটা ধারাবাহিকতা ষাটের দশক। পাকিস্তান যখন ভাষার ব্যাপারটা নিয়ে আর এগোতে পারল না, রাজনীতিতেও কোনো মীমাংসা করতে না পেরে মা

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্যও সংস্কার প্রয়োজন
রাজধানীসহ সারা দেশে একটি জ্বলন্ত সমস্যার কোনো সমাধান হচ্ছে না। পত্রপত্রিকায় বহুবার লিখেছি কিন্তু কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে জবাব দেয়নি। আশা করছি এ লেখার পর বিষয়টির মীমাংসা না হলেও অন্তত নীতিনির্ধারকেরা একটা প্রতিক্রিয়া দেখাবেন। আমরা তখন বুঝতে পারব কেনইবা এটা হচ্ছে না, প্রতিবন্ধকতা কত বড় যে দীর্ঘদিন ধরে এই
