
তাসলিমা জাহান
তাসলিমা জাহান
সকল লেখা

হাদিসের ভাষায় হজের অনন্য ৫ ফজিলত
শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান জীবনে একবার হজ পালনের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং নিজেদের পাপ মোচনের সুযোগ পান। হজকে বলা যায়, মুসলিম ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য নিদর্শন। হজ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ইবাদত।

জিলকদ: হজ ও কোরবানির প্রস্তুতির মাস
আরবি বর্ষপঞ্জির ১১তম মাস ‘জিলকদ।’ ইসলামের পূর্বে জাহিলিয়ার যুগে আরবের লোকজন এ মাসে যুদ্ধবিগ্রহ হারাম মনে করত। কেউ কাউকে হত্যা করত না, প্রতিশোধও নিত না। যেহেতু তারা এই মাসে হত্যা বা প্রতিশোধ নেওয়া থেকে বিরত ও বসে থাকত, তাই এ মাসের নাম দেওয়া হয় ‘জুলকদাহ’ বা জিলকদ, অর্থাৎ বসে থাকার মাস।

পরকালে আল্লাহ মজলুম শ্রমিকের পক্ষে থাকবেন
হালাল পেশাকে ইসলাম মর্যাদার চোখে দেখে। হালাল পেশায় নিযুক্ত শ্রমিকের মর্যাদাও কম নয়। তাঁদের অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে ইসলাম। প্রিয় নবী (সা.) বলেন ‘শ্রমিকেরা তোমাদেরই ভাই, আল্লাহ তাদের তোমাদের দায়িত্বে অর্পণ করেছেন।

হজের বিধান, গুরুত্ব ও তাৎপর্য
হজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এই ইবাদত মানুষকে আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধ শেখায়। নানা জাতি, ভাষা ও বর্ণের মুসলমান একত্র হয় এ সময়। ত্যাগ, সততা, একতা ও সমতার জানান দেয় হজ পালনের প্রতিটি বিধানে। প্রতিবছর জিলহজ মাসে মক্কার পবিত্র স্থানসমূহে নির্দিষ্ট নিয়মে পালিত হয় হজ। চলতি সপ্তাহেই শুরু...

আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট করা মারাত্মক পাপ
মানবজীবনে আত্মীয়তার বন্ধন অমূল্য এক সম্পর্ক। জীবনের প্রতিকূলতায় আত্মীয়রা প্রেরণা এবং শক্তির উৎস হয়ে থাকে। এই সম্পর্ক আমাদের মাঝে ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং আস্থা তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখার বিকল্প নেই।

সুখময় পরিবার গঠনে ইসলামের ৪ নির্দেশনা
সুখময় পরিবার জীবনের অমূল্য সম্পদ। সুখী সংসারকে বলা হয় দুনিয়ার জান্নাত। পরিবার আমাদের আশ্রয়, ভালোবাসা ও সাহসের উৎস। পরিবারে একে অপরের পাশে থাকলে সব বাধা সহজে অতিক্রম করা যায়। ছোঁয়া যায় ভালোবাসার আকাশ। মাখা যায় সুখের আবেশ। এ ক্ষেত্রে মহানবী (সা.) হতে পারেন উত্তম আদর্শ। কীভাবে তিনি পারিবারিক ও...

মসজিদুল আকসার বিস্ময়কর ৫ তাৎপর্য
মসজিদুল আকসা ছিল মুসলমানদের একসময়ের কিবলা। ইসলামের প্রাথমিক যুগে আল্লাহর আদেশে মসজিদুল আকসার দিকে ফিরে নামাজ আদায় করা হতো। কিন্তু হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল কাবার দিকে ফিরে নামাজ আদায়ের। তাই তিনি মক্কায় থাকাকালীন এমন সমান্তরালভাবে নামাজে দাঁড়াতেন—যেন কাবা ও মসজিদুল আকসা সামনে থাকে।

যেভাবে ভ্রমণ করতেন নবীজি (সা.)
ভ্রমণ মানে নতুনকে জানা, অজানাকে দেখা। মানসিক প্রশান্তি ও অভিজ্ঞতা অর্জনের অন্যতম উপায় ভ্রমণ। এর মাধ্যমে মানুষ প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হয়। ভ্রমণে শেখার থাকে অনেক কিছু। তবে সঠিক পরিকল্পনা আর নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন থাকলে ভ্রমণ হয়ে ওঠে আরও উপভোগ্য ও অর্থবহ।
