
অর্ণব সান্যাল, ঢাকা
অর্ণব সান্যাল, ঢাকা
সকল লেখা

প্রত্যাখ্যানের ‘আনন্দ’ আখ্যান
প্রত্যাখ্যান। এই এক শব্দের ভেতরেই আছে অগ্রাহ্য, উপেক্ষা, অনাদর। আছে পরিত্যাগ বা পরিহার। কিন্তু শিরোনামে দেওয়া ‘আনন্দ’ কখনোই সচরাচর শাব্দিকভাবে প্রত্যাখ্যানের সঙ্গে মেলে না। বাংলা বা ইংরেজি—দুই ভাষাতেই প্রত্যাখ্যান মানেই যেন বিষাদের বাতাবরণ। কিন্তু কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ধার করা পঙ্ক্তিতে

সময় বাঁচাবেন নাকি শক্তি
‘সময় ও নদীর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না।’ এই ক্লিশে আপ্তবাক্যটি আমরা শৈশব থেকেই শিখতে থাকি। কখনো রচনা, কখনো ভাবসম্প্রসারণ করতে গিয়ে। তবে তাতে আখেরে খুব বেশি লাভ হয় না। বাল্যকালে শেখা হাজারো বুলির মতো এটিও একসময় স্রেফ মুখস্থই থেকে যায়। মাথায় থাকে এক, আমরা করি আরেক! কীভাবে? যেমন ধরুন, আপনি জানেন স

জীবনে ভোগ নাকি উপভোগ
এর উত্তরে বছর-দিন-ঘণ্টা বা সেকেন্ডের—নানা কিসিমের হিসাব দেওয়া যায়। বছর ধরলে পরিমাণ কম দেখাবে, দিনে আরও বেশি, ঘণ্টা-সেকেন্ডের হিসাব ধরলে খুশিতে উথলে উঠতে পারে মন। কিন্তু কখনো কি মনে হয় না, জীবনের রূপ-রস-গন্ধ ন্যাপথলিনের মতো হাওয়ায় ভেসে যাচ্ছে দ্রুত?

সাবরিনা কেন দেখবেন?
শুরুটা হলো সয়াবিন তেল নিয়ে। সেই সংকটে মিশে যায় নিত্যকার ভোগ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির শাঁখের করাত। অথচ ঠিক পেছনের সিটে তখন মরণাপন্ন এক ‘জিন্দা লাশ’ নিয়ে বসা দুই পথচারী। তাদের কাছে ওই পুড়ে যাওয়া নারীটিও নাম-পরিচয়হীন। বাঁচানোর জন্যই রাস্তার ধার থেকে কুড়িয়ে তোলা। কিন্তু সেই তিনজনের উৎকণ্ঠা ও যাতনায় ভ্রুক্ষে

দেরিতে জবাব দিলে কী হয়
ধরুন, ব্যাপক ব্যস্ততায় আপনার সময় কাটছে। ঠিক সেই সময়টায় টুং করে উঠল মোবাইল ফোন। জানান দিল কোনো ই-মেইল বা মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপে এসে জমা হওয়া বার্তার। কিন্তু সেসব দেখে, বুঝে জবাব দেওয়ার মতো সময় আপনার হাতে বা পায়ে—কোথাও নেই। অগত্যা বার্তা ‘সিন’ আর হলো না, জবাব দেওয়া তো দূর অস্ত।

শেষ ভালো যার..
২০২১ সালের শুরুটা হলিউডের জন্য ছিল আশঙ্কার। করোনার কারণে ইন্ডাস্ট্রির অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল তথৈবচ। তবে শেষটায় জমে গেছে হলিউড। একদিকে ছিল বড় বাজেটের একের পর এক ছবির মুক্তি, অন্যদিকে হলমুখী ব্যবসাও দেখেছে আলোর মুখ। আর কথায় তো আছেই, শেষ ভালো যার, সব ভালো তার!

রহস্য ও ধোঁয়াশার ‘আরণ্যক’
আরণ্যক-এর প্রথম পর্বেই অঙ্গদ (পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়) পরিচিত হন দর্শকদের সঙ্গে। আগের ঘটনার ফ্ল্যাশব্যাকে এই চরিত্রের মানসিক অবস্থার বা অস্থিরতার হেতু জানা যায়। সত্যচরণের মতো অঙ্গদও বাইরে থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা লোক। তবে তাতেও কি সব স্পষ্ট হয়? এই অস্পষ্ট ধোঁয়াশা পুরো সিরিজজুড়েই ছিল। ছিল ‘শেষ হইয়াও হইল না

হিম্মত দেখাল ওয়েব সিরিজ ‘বলি’
‘এইটা ছেঁড়াদিয়া, এইখানে হিম্মত ভাঁজ কইরা আলমারির ভিত্রে গুছায়া রাখতে হয়…’

হলিউডের ব্যবসা কার হাতে?
হলিউডের চলচ্চিত্র ব্যবসার ধরন কয়েক বছর ধরেই পরিবর্তনের পথে হাঁটছিল। করোনা মহামারি সেই ধীর চলনকে দৌড়ে বদলে দিয়েছে। অবস্থা এমন যে হলিউডের চলচ্চিত্র ব্যবসার ব্যাটন এখন ক্রমেই চলে যাচ্ছে স্ট্রিমিং জায়ান্টদের হাতে।
