
বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সমালোচক ও লেখক প্রমথ চৌধুরী যে কারণে বারবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন, সেটি হলো চলিত গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠা। এই কাজটি করতে গিয়ে তাঁর হাত ধরে জন্ম নিয়েছিল সবুজপত্র সাহিত্য পত্রিকা। এই কাজটিতেও বিরোধিতা ছিল। কিন্তু প্রমথ চৌধুরী মনে করতেন, ‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আ

আমার পিএইচডির কাজ শেষ হয়েছে তখন। চাকরিবাকরি কোনোমতে জুটেছে একটা। ভাবনা হলো, এবার কী করি! দু-এক টুকরো লেখালেখি করা যায় হয়তো; কিন্তু অগাধ আলসেমি হলে যা হয়...! কাগজ-কলম নিয়ে গুছিয়ে বসা আর হয় না। এমন সময় একদিন ছোট্ট একটি জীবনী লেখার ভার পড়ল আমার ওপর।

শতাব্দীর পর শতাব্দী পরাধীন ছিল বাঙালি জাতি, গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জাতি অর্জন করেছে রক্তভেজা লাল-সবুজের পতাকা, প্রতিষ্ঠা করেছে নিজস্ব ভূখণ্ড ও মানচিত্র। এ অর্জনের প্রধান কান্ডারি, স্বাধীন বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় একসূত্রেই গাঁ

নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত জার্মান লেখক হেরমান হেসের উপন্যাস ‘সিদ্ধার্থ’ ১৯২২ সালে প্রকাশলগ্নেই অসামান্য খ্যাতি অর্জন করে। পরবর্তী এক শ বছরে বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম ধ্রুপদি সম্পদ হয়ে উঠেছে এটি। হেসের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম রয়েছে। কথাসাহিত্য, কবিতা রচনার পাশাপাশি চিত্রকর হিসেবেও তিনি খ্যাতিমান ছি