
ইরানের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং দেশটির শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় থাকা নির্বাসিত বিরোধী দলগুলোর মধ্যে গত এক মাসে নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যুদ্ধের শুরুতে যে উন্মাদনা এবং উল্লাস দেখা গিয়েছিল, তা এখন স্তিমিত হয়ে আসছে। যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, সাধারণ ইরানিদের জন্য এর সুফল ততটাই অস্পষ্ট হয়ে উঠছে, যা বিরোধী শিবিরকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করছে।
মাত্র এক মাস আগে, যখন গত জানুয়ারিতে ইরানের বর্তমান শাসকদের হাতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী নিহত হন, তখন নির্বাসিত ইরানিদের একটি বড় অংশ আমেরিকা ও ইসরায়েলের সামরিক হস্তক্ষেপকে ‘ত্রাতা’ হিসেবে দেখেছিল। লন্ডনের রাস্তা থেকে শুরু করে লস অ্যাঞ্জেলেস এবং টরন্টো—সর্বত্রই প্রবাসীরা সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে উৎসবে মেতে উঠেছিল। এমনকি ক্ষমতাচ্যুত শেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভী, যিনি নিজেকে ইরানের সম্ভাব্য অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে দাবি করেন, এই মার্কিন-ইসরায়েলি বোমাবর্ষণকে ‘মানবিক’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
এখনো কিছু কট্টর সমর্থক এই বিমান হামলাকে ক্যানসারের চিকিৎসার ‘কেমোথেরাপি’র সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, এটি কষ্টদায়ক হলেও একনায়কতান্ত্রিক শাসন থেকে মুক্তির জন্য অপরিহার্য। লন্ডনের রাজপথে রাজতান্ত্রিক ইরানের পতাকার পাশাপাশি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ব্যানার নিয়ে মিছিল করার চিত্র এখনো দেখা যাচ্ছে। এমনকি লন্ডনের ইরানি রেস্তোরাঁগুলোতে যুদ্ধ এবং পাহলভী বংশের পুনঃ প্রতিষ্ঠার সমর্থনে পোস্টার লাগানোর জন্য চাপ দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। লন্ডনভিত্তিক স্যাটেলাইট চ্যানেল ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ সরাসরি এই যুদ্ধ এবং রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পক্ষেই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন কথা বলছে। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, সাধারণ ইরানিদের দুঃখ-দুর্দশা তত বাড়ছে। বিমান হামলায় দেশের অবকাঠামো ধ্বংস হওয়া এবং জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে আসায় নির্বাসিতদের একটি অংশ এখন গভীরভাবে চিন্তিত। তাঁরা বুঝতে পারছেন, বিদেশি শক্তির সহায়তায় হয়তো শাসনের পতন ঘটানো সম্ভব, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত দেশটিকে এক স্থায়ী ধ্বংসস্তূপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে যে যুদ্ধকে একসময় মুক্তির একমাত্র পথ মনে করা হচ্ছিল, এখন তা সাধারণ মানুষের জন্য আদৌ কোনো সুফল আনবে কি না—তা নিয়ে খোদ বিরোধী শিবিরেই এখন বড় ধরনের বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে একজন সেনার জীবন কেবল একটি সংখ্যা নয়, বরং জাতির মর্যাদা ও সামরিক শক্তির প্রতীক। ইরানে ভূপাতিত এফ-১৫এ যুদ্ধবিমানের একজন ক্রুকে উদ্ধার করতে মার্কিন বাহিনীর বিশাল কর্মযজ্ঞের কথা জানা যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকশ কমান্ডো, বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান এই উদ্ধার
২ ঘণ্টা আগে
ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেনি। কিন্তু এক মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে যাওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, এই যুদ্ধে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রই এগিয়ে। ইরানের ভূখণ্ডে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে অবিরাম বোমাবর্ষণ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। হাজারো মানুষ নিহত...
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যখনই ইরানের সামরিক সক্ষমতার বিষয়টি নিয়ে কথা ওঠে, তখনই আলোচনা গিয়ে ঠেকে একটি নামেই—কুদস ফোর্স। নামটি পরিচিত, দৃশ্যমান এবং তেহরানের আঞ্চলিক প্রভাব বোঝাতে সুবিধাজনক।
৬ ঘণ্টা আগে
এই যুদ্ধ ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের দিকে আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করে তুলবে। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পারমাণবিক বোমা নিষিদ্ধ-সংক্রান্ত ফতোয়া তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে গেছে। ৪৪ কেজি উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হাতে থাকা আইআরজিসি এখন উত্তর কোরিয়ার উদাহরণ অনুসরণ করতে চাইবে...
২০ ঘণ্টা আগে