
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। আজ বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আনদ্রাবি সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র বলেন, ‘দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো তারিখ নির্ধারিত হয়নি। সময়সূচি চূড়ান্ত হওয়া মাত্রই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে তা ঘোষণা করব।’ এই সংবেদনশীল বিষয়ে গণমাধ্যমকে যেকোনো ধরনের জল্পনা-কল্পনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তাহির আনদ্রাবি আরও বলেন, গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও আঞ্চলিক দেশগুলোতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রচারের লক্ষ্যে সফর করছেন।
প্রথম দফার আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে আনদ্রাবি বলেন, সেই আলোচনা থেকে বড় ধরনের কোনো সাফল্য (ব্রেকথ্রু) আসেনি। তবে আলোচনা পুরোপুরি ভেঙেও যায়নি।
পাকিস্তান সরকার বরাবরের মতোই এই অঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে তাদের অবস্থান বজায় রাখবে এবং দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনতে কাজ করে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৫ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
ফাতিহ বিরল সতর্ক করে বলেন, ইউরোপের হাতে বর্তমানে বড়জোর ছয় সপ্তাহের জেট ফুয়েল বা উড়োজাহাজের জ্বালানি অবশিষ্ট আছে। এর আগে ১ এপ্রিল এক পডকাস্টেও তিনি একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের শুরুর দিকে ইউরোপে জেট ফুয়েল ও ডিজেলের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে