এটাকে সংক্ষেপে এনজিভি নামে ডাকা হয়। অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের মেলবোর্ন শহরে অবস্থিত এটি একটি শিল্পকলা জাদুঘর। এটি ১৮৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জাদুঘরটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন ও সর্বাধিক পরিদর্শিত শিল্পকলা জাদুঘর। এ জাদুঘরের সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার যেকোনো গ্যালারির মধ্যে সবচেয়ে বড়। এখানে ৭৬ হাজারের বেশি শিল্পকর্ম রয়েছে। এই সংগ্রহ দুটি স্থানে সংরক্ষিত: একটি হলো ন্যাশনাল গ্যালারি অব ভিক্টোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল, যা সাউথব্যাংকে মেলবোর্ন আর্টস প্রিসিংকটে সেন্ট কিল্ডা রোডে অবস্থিত; এবং ইয়ান পটার সেন্টার: ন্যাশনাল গ্যালারি অব ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যা কাছাকাছি ফেডারেশন স্কয়ারে অবস্থিত। এ ভবনটি স্যার রয় গ্রাউন্ডসের নকশায় নির্মিত হয় এবং ১৯৬৮ সালে উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তীকালে মারিও বেল্লিনি এটি পুনর্নির্মাণ করেন এবং ২০০৩ সালে পুনরায় খোলা হয়। এখানে গ্যালারির আন্তর্জাতিক শিল্প সংগ্রহ রাখা আছে এবং এটি ভিক্টোরিয়ান হেরিটেজ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, ইয়ান পটার সেন্টার: ন্যাশনাল গ্যালারি অব ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ল্যাব আর্কিটেকচার স্টুডিওর নকশায় নির্মিত হয় এবং ২০০২ সালে উদ্বোধন করা হয়। এখানে গ্যালারির অস্ট্রেলিয়ান শিল্প সংগ্রহ সংরক্ষিত।

২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
৩ ঘণ্টা আগে
২১ ফেব্রুয়ারি আমতলার সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন গাজীউল হক। ভাষা আন্দোলন বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘ভাষা আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এ আন্দোলন ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে। ১৯৪৭ সালে এ আন্দোলনের বুনিয়াদ রচনা হয়। ১৯৪৮-এ আন্দোলনের অঙ্কুরোদ্গম হয়। ১৯৫২ সালে এ আন্দোলন এক বিরাট মহীরূহে পরিণত হয়।
১ দিন আগে
বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যায় কবি ফররুখ আহমদের মধ্যে। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের সওগাতে তিনি ‘পাকিস্তান: রাষ্ট্রভাষা ও সাহিত্য’ নামে প্রবন্ধে লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, এ নিয়ে যথেষ্ট বাদানুবাদ চলছে আর সবচাইতে আশার কথা এই যে, আলোচনা হয়েছে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে...
৬ দিন আগে
১৯৪৭ সালের ৩০ জুন দৈনিক আজাদে ছাপা হওয়া ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রবন্ধে আবদুল হক লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তানের সবচেয়ে প্রচলিত ভাষা পাঁচটি। বেলুচি, পশতু, সিন্ধি, পাঞ্জাবি ও বাংলা। পশ্চিম পাকিস্তানে উর্দু ভাষা নেই, তা নয়, বাংলাও আছে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের তো নয়ই, পশ্চিম...
১৫ দিন আগে