সম্পাদকীয়

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া বাজার এলাকাটিতে একসময় জাঁকজমক পাটের ব্যবসা ছিল। পাশের কুমার নদ দিয়ে বড় বড় জাহাজ চলত। সেই জাহাজে পাট বোঝাই করে বিদেশেও নেওয়া হতো। তাই এলাকাটি চরমুগরিয়া বন্দর নামেও পরিচিত। কালের বিবর্তনে সেই ব্যবসা এখন আর নেই। কিন্তু একসময় এই বন্দরে নানা জেলার নানা দেশের লোকজনের যাতায়াত ছিল। তাই বন্দরকে কেন্দ্র করে প্রায় ৮০ বছর আগে ভীম ঘোষ নিজ বাড়ির বারান্দায় নিজেই মাখন তৈরি করে বিক্রি শুরু করেন। টোস্টের ওপর মাখন ও চিনি দিয়েও বিক্রি করতে থাকেন। অল্প কিছুদিনেই এর স্বাদের সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ভীম ঘোষ মারা যাওয়ার পর তাঁর ছেলে কার্তিক ঘোষ ব্যবসার হাল ধরেন। দোকানের নাম হয় মনষা ভান্ডার। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে এখানে। অনেকে আবার নানা অনুষ্ঠানেও ফরমাশ দিয়ে নেন মাখন টোস্ট। এক আনা পয়সা দিয়ে বিক্রি শুরু হওয়া মাখন টোস্টটি এখন ৫০ টাকা।
তথ্য ও ছবি: আয়শা সিদ্দিকা আকাশী, মাদারীপুর

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া বাজার এলাকাটিতে একসময় জাঁকজমক পাটের ব্যবসা ছিল। পাশের কুমার নদ দিয়ে বড় বড় জাহাজ চলত। সেই জাহাজে পাট বোঝাই করে বিদেশেও নেওয়া হতো। তাই এলাকাটি চরমুগরিয়া বন্দর নামেও পরিচিত। কালের বিবর্তনে সেই ব্যবসা এখন আর নেই। কিন্তু একসময় এই বন্দরে নানা জেলার নানা দেশের লোকজনের যাতায়াত ছিল। তাই বন্দরকে কেন্দ্র করে প্রায় ৮০ বছর আগে ভীম ঘোষ নিজ বাড়ির বারান্দায় নিজেই মাখন তৈরি করে বিক্রি শুরু করেন। টোস্টের ওপর মাখন ও চিনি দিয়েও বিক্রি করতে থাকেন। অল্প কিছুদিনেই এর স্বাদের সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ভীম ঘোষ মারা যাওয়ার পর তাঁর ছেলে কার্তিক ঘোষ ব্যবসার হাল ধরেন। দোকানের নাম হয় মনষা ভান্ডার। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে এখানে। অনেকে আবার নানা অনুষ্ঠানেও ফরমাশ দিয়ে নেন মাখন টোস্ট। এক আনা পয়সা দিয়ে বিক্রি শুরু হওয়া মাখন টোস্টটি এখন ৫০ টাকা।
তথ্য ও ছবি: আয়শা সিদ্দিকা আকাশী, মাদারীপুর

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ফেনী সরকারি কলেজকে তাদের নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করত। পাকিস্তানি সেনারা এবং তাদের এদেশীয় দোসররা স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের ফেনী কলেজ মাঠে ধরে আনত এবং অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করত। হত্যার পর লাশগুলোকে তারা মাঠের এক কোণে...
১ দিন আগে
রাজবাড়ী শহরেই অবস্থিত বিনোদপুর লোকোশেড। বলা হয় রাজবাড়ী জেলার সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি এটি—রাজবাড়ী বধ্যভূমি বা বিনোদপুর লোকোশেড বধ্যভূমি নামে পরিচিত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বিনোদপুরের লোকোশেড এলাকায় ক্যাম্প বসিয়েছিল। তারা শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে অসংখ্য মানুষকে...
৫ দিন আগে
ভালো-মন্দ সব জায়গাতেই আছে। সাহিত্য জগতেও যে ভালো মানুষ পাইনি, তা তো নয়। একজন লেখক অসম্ভব স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল মানুষ। লেখালেখি বিষয়টাই তো সাংঘাতিক স্পর্শকাতর—লেখক এবং লেখা উভয়েই সামান্য কারণে আহত হয়!
৬ দিন আগে
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের শেষ প্রহর। গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় ১ ডিসেম্বর চলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যা। শীতলক্ষ্যার পশ্চিম পারে খলাপাড়া গ্রামে ‘ন্যাশনাল জুট মিলস লি.’ নামে যে কারখানাটি অবস্থিত, সেখানেই নারকীয়ভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযোদ্ধাসহ মিলের মুক্তিকামী শ্রমিক-কর্মচারীদের।
৭ দিন আগে