সম্পাদকীয়

আর্মেনীয় জমিদার আরাতুন ১৮২৫ সালের দিকে ঢাকার ফরাশগঞ্জের শ্যামপুরে একটি দ্বিতল বাড়ি নির্মাণ করে নাম দিয়েছিলেন ‘আরাতুন হাউস’। এর ১০ বছর পর ১৮৩৫ সালের দিকে তিনি বাড়িটি বিক্রি করে দেন ঢাকার বিখ্যাত ব্যবসায়ী রূপলাল দাসের কাছে। নতুন মালিক বাড়িটির নতুন নাম দেন ‘রূপলাল হাউস’। শৌখিন রূপলাল কলকাতার বিখ্যাত ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি মার্টিন এন্ড কোং-কে দিয়ে বাড়িটি পুনর্নির্মাণ করান। দেশভাগের পর ১৯৪৭ সালে সপরিবার সীমানা পেরিয়ে ভারতে চলে যান রূপলাল। ১৯৫৮ সালে মোহাম্মদ সিদ্দিক জামাল বাড়িটি কিনে এর নাম দেন ‘জামাল হাউস’। ভবনের আরেকটি অংশে পাওয়া যায় ‘নূরজাহান হাউস’ নামটি। যদিও ‘রূপলাল হাউস’ নামেই এখনো এর খ্যাতি। সবজি ও মসলা ব্যবসায়ীদের দখল থেকে আপাতত মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে বাড়িটি।

আর্মেনীয় জমিদার আরাতুন ১৮২৫ সালের দিকে ঢাকার ফরাশগঞ্জের শ্যামপুরে একটি দ্বিতল বাড়ি নির্মাণ করে নাম দিয়েছিলেন ‘আরাতুন হাউস’। এর ১০ বছর পর ১৮৩৫ সালের দিকে তিনি বাড়িটি বিক্রি করে দেন ঢাকার বিখ্যাত ব্যবসায়ী রূপলাল দাসের কাছে। নতুন মালিক বাড়িটির নতুন নাম দেন ‘রূপলাল হাউস’। শৌখিন রূপলাল কলকাতার বিখ্যাত ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি মার্টিন এন্ড কোং-কে দিয়ে বাড়িটি পুনর্নির্মাণ করান। দেশভাগের পর ১৯৪৭ সালে সপরিবার সীমানা পেরিয়ে ভারতে চলে যান রূপলাল। ১৯৫৮ সালে মোহাম্মদ সিদ্দিক জামাল বাড়িটি কিনে এর নাম দেন ‘জামাল হাউস’। ভবনের আরেকটি অংশে পাওয়া যায় ‘নূরজাহান হাউস’ নামটি। যদিও ‘রূপলাল হাউস’ নামেই এখনো এর খ্যাতি। সবজি ও মসলা ব্যবসায়ীদের দখল থেকে আপাতত মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে বাড়িটি।

বিনিয়োগ হতেই পারে, তবে সেটার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। নিজস্ব সম্পদের যথাসম্ভব ব্যবহার বাড়াতে হবে। বুঝতে হবে, বিদেশিরা বিনিয়োগ করে মুনাফার জন্য। ওই বিনিয়োগ থেকে স্থানীয় বা সাধারণ জনগণ কতটুকু উপকৃত হবে, তা-ও আমাদের জানা নেই। বাস্তবতা হলো, এর মাধ্যমে কিছুসংখ্যক লোক বেশি উপকৃত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ছনগাঁও গ্রামের হামোম তনু বাবু ২০০৬ সালে নিজ বাড়িতে গড়ে তুলেছেন একটি মণিপুরি জাদুঘর। তিনি তাঁর বাবার নামে সংগ্রহশালাটির নামকরণ করেছেন ‘চাউবা মেমোরিয়াল মণিপুরি ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি মিউজিয়াম’।
২ দিন আগে
এখন আর যাই থাক বা না থাক দ্রোহ বা বিপ্লব বলে কিছু নেই। শুধু বাংলাদেশে নয়, দুনিয়া থেকেই এই প্রক্রিয়া বা মানুষের ত্যাগের ইতিহাস বিলুপ্ত প্রায়। আমাদের যৌবন পর্যন্ত আমরা জানতাম যাঁরা দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে আত্মদান করেন তাঁরা অমর।
৬ দিন আগে
আমি সক্রিয় ছাত্ররাজনীতিতে জড়িত হই ১৯৮২ সালের মার্চে; জেনারেল এরশাদের জবরদস্তিমূলক রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পরপর, বিশেষত ক্ষমতা জবরদখলের পর প্রথম হুমকিমূলক একটি ঘোষণা প্রচারের পর। যে ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ‘আকারে ইঙ্গিতে, আচারে-উচ্চারণে সামরিক শাসনের সমালোচনা করলেও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হবে।’ বুঝুন অবস্থা।
৮ দিন আগে