ছবিতে যে অনন্য সুন্দর ভবনটি দেখা যাচ্ছে, তা ছিল এ দেশেই। ঢাকার দিলকুশায় অবস্থিত এই টাওয়ারটি ছিল ঢাকার নবাবদের দিলকুশা গার্ডেন প্যালেসের অংশ। ১৮৬৬ সালে নবাব খাজা আবদুল গণি এই জায়গাটি কিনে নেন জনৈক ই. এফ স্মিথ সাহেবের কাছ থেকে। সেখানে পুত্র খাজা আহসানউল্লাহর ব্যবহারের জন্য তিনি একটি বাগানবাড়ি নির্মাণ করেন, যার নাম দেন ‘দিলখুশা’, মানে ‘মনপ্রফুল্ল’। এই প্রাসাদে ছিল বলরুম। ফল-ফলাদি আর ফুল গাছের পাশাপাশি বাগানে ছিল পানির ফোয়ারা আর হরিণ উদ্যান। লুকোচুরি খেলার জন্য ছবির টাওয়ারটির চারপাশে গাছ লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছিল মেইজ বা ভুলভুলাইয়া। তাই ভবনটির নাম হয়ে যায় ভুলভুলাইয়া টাওয়ার। ১৮৯৭ সালের এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধসে পড়ে অসাধারণ এই স্থাপনাটি।
ছবি: সংগৃহীত, ১৮৮০-এর দশক

জাম্বিয়ার গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বাড়ির আঙিনায় বা খামারে তারা প্রচুর পরিমাণে কুমড়াপাতা, মিষ্টি আলুর পাতা এবং স্থানীয় শাকসবজি চাষ করত। এসব শাক-পাতা দিয়ে তারা রান্না করে ইফিসাশি। মূলত জাম্বিয়ার উত্তরাঞ্চলের বেম্বা উপজাতির ঐতিহ্যবাহী খাবার এটি।
৬ দিন আগে
হাঁস রোস্ট করার সবচেয়ে প্রথম লিখিত উল্লেখ পাওয়া যায় চীনের উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময়কালের একটি রান্নার বইয়ে। ১২৭১ সালে মঙ্গোল নেতা কুবলাই খান যখন ইউয়ান রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন, তখন এই খাবারটি রাজকীয় খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে ওঠে।
১৩ দিন আগে
একসময় শিক্ষাকে একটি ফুটো পাত্র আকারে দেখা হতো, যেখানে হয়তো একজন পানি দিচ্ছে কিংবা কেউ শিক্ষাকে মন্ত্র হিসেবে দেখছেন; যার জোরে যে কেউ তাঁর নিজের মতো করে জ্ঞানের রাজ্যে হাঁটতে পারেন। ‘অন্বেষণ ও সৃষ্টি’র পথে নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত থেকে উন্নততর করে তুলতে পারেন। ওই ধারার শিক্ষার কথা বলছেন ভনহাম বোল্ডট।
১৯ দিন আগে
ইউরোপীয় বা আফ্রিকানরা ক্যারিবীয় অঞ্চলে আসার বহু আগে থেকে এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রধান খাদ্য ছিল কাসাভা বা শিমুল আলু। তিতকুটে শিমুল আলু থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে, তা কুচি করে আগুনে সেঁকে রুটি বা পিঠা তৈরি করার একটি নিজস্ব ও প্রাচীন কৌশল তাদের জানা ছিল। এই আদিবাসী রন্ধনশৈলী থেকে জন্ম হয়...
২০ দিন আগে