
সেন্ট মার্টিনে ভ্রমণ নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপপ্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর। তিনি জানান, আগামী নভেম্বরে পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিনে যেতে পারলেও রাতে অবস্থান করতে পারবেন না। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে পর্যটকেরা রাতেও অবস্থান করতে পারবেন।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
অপূর্ব জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নভেম্বরে রাতে সেন্ট মার্টিনে থাকতে পারবেন না পর্যটকেরা। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে প্রতিদিন দুই হাজার করে পর্যটক যেতে পারবেন, রাতেও থাকতে পারবেন। আর ফেব্রুয়ারিতে কোনো পর্যটক সেন্ট মার্টিনে যেতে পারবেন না, তখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া সেন্ট মার্টিনে ওয়ান-টাইমের প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
এর আগে গত ৭ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ভ্রমণসংক্রান্ত বিভিন্ন বিধিনিষেধ আগামী পর্যটন মৌসুম শুরুর আগে অর্থাৎ নভেম্বরের আগেই কার্যকর করা হবে। সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার ও কুয়াকাটাকে সিঙ্গেল ইউজ (একবার ব্যবহারযোগ্য) প্লাস্টিক ব্যবহার মুক্ত করার কাজটা শুরু করব। এটা এক দিনে হবে না। কিন্তু কাজটা শুরু করা হবে।’

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
২ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে