সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বন্ধের একটি দাবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করে দাবি করা হচ্ছে, উপবৃত্তি বিভাগ প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দুই বছর স্থগিত ঘোষণা করেছে। গতকাল শনিবার সকাল সোয়া ৯টায় ‘সরকারি কর্মচারী সংবাদ’ নামের একটি পেজ থেকে উপবৃত্তি স্থগিতের দাবিটি পোস্ট করা হয়। পোস্টটি আজ রোববার দুপুর ২টা পর্যন্ত শেয়ার হয়েছে ১ হাজার ৭০০, রিয়েকশন পড়েছে প্রায় ১ হাজারের কাছাকাছি।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ফেসবুকে প্রচারিত পোস্টগুলোতে কোনো তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে খুঁজেও প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দুই বছরের জন্য স্থগিত ঘোষণা সম্পর্কে কোনো প্রজ্ঞাপন পাওয়া যায়নি।
পরে দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. নাছিমা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ। তিনি দাবিটি সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা বন্ধ করিনি। এটি গুজব। বরং আমরা উপবৃত্তির টাকা বাড়াচ্ছি এবং একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও বাড়াচ্ছি।’

‘জুলাই যোদ্ধা বলে কিছু নাই, সংবিধান অনুযায়ী এটা অন্যায়’—আমীর হোসেন খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নামে এমন দাবিতে একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
‘প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক নিয়োগে নারীদের জন্য ৬০ ভাগ কোটা ছিল, যেটা বিগত সরকার উঠিয়ে দিয়েছিল। সেটাকে আবার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা হবে’—আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সাম্প্রতিক বক্তব্য দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গাঁজা ব্যবসায়ীকে শাস্তি দিচ্ছেন মাদারীপুরের নতুন এমপি—এমন দাবিতে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে মারধর করতে দেখা যায়। মুহূর্তেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়।
২ দিন আগে
‘তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীর শপথ পাঠ আমি করাতে আগ্রহী—মিজানুর রহমান আজহারী’ (বানান অপরিবর্তিত) দাবিতে ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টে দাবি করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ
৩ দিন আগে