ভারতের রাজনীতিতে একটি কথা প্রচলিত আছে, যে দল বা জোট উত্তর প্রদেশের লোকসভা আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, তারাই কেন্দ্রের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করবে। তবে তেমনটা হবে কি না, তা এখনই জানা না গেলেও এই রাজ্যে এগিয়ে আছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এমন তথ্যই জানাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর অনুসারে, উত্তর প্রদেশের ৮০টি আসনের মধ্যে বিজেপির জোট এনডিএ এগিয়ে আছে মাত্র ৩৬টি আসনে। বিপরীতে ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে আছে ৪৩টি আসনে। এ ছাড়া অন্যান্য দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাত্র একটি আসন গেছে এ দুই জোটের বাইরে।
ভোট গণনায় এই প্রবণতা যদি অব্যাহত থাকে, তবে এই রাজ্যে ইন্ডিয়া জোট এগিয়েই থাকবে। এর আগের দুই নির্বাচনে বিজেপির জোট এনডিএ এই রাজ্যে ভূমিধস জয় পেয়েছিল। এই রাজ্যে ইন্ডিয়া জোটের অংশীদার হিসেবে নির্বাচনে লড়ছে কংগ্রেস এবং স্থানীয় দল সমাজবাদী পার্টি। এ ক্ষেত্রে সমাজবাদী পার্টি লড়ছে ৬২ আসনে এবং কংগ্রেস লড়ছে ১৭টি আসনে। দুই দলের প্রার্থীরাই ভালো করবেন বলে আশা করছেন দলগুলোর নেতারা।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টি বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিল। সেবার বিজেপির জোট এনডিএ ৮০ আসনের মধ্যে পেয়েছিল ৬২টি আসন। সে সময় সমাজবাদী পার্টি পেয়েছিল মাত্র ৫টি আসন। তবে এবার দলটি অনেকগুলো আসন পাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, উত্তর প্রদেশের রায়বেরেলি আসনে কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন দলটির পোস্টারবয় খ্যাত রাহুল গান্ধী। এই আসনে তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫০ হাজার ভোটে এগিয়ে আছেন। এ ছাড়া এই রাজ্য থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের প্রার্থী অজয় রায়ের চেয়ে এগিয়ে আছেন স্পষ্ট ব্যবধানে।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৬ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে