
রাজধানীর খিলগাঁও ও ডেমরা এলাকায় মূল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা অটোরিকশার চালকদের লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল মেরে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ।
আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচের দুটি রাস্তা বন্ধ করে দেন বিক্ষোভকারীরা। এতে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধের শুরুতে পুলিশ আন্দোলনরত রিকশাচালকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
কিন্তু কোনোভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় বিক্ষোভকারীরাদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, ‘অটোরিকশার চালকেরা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করছিলেন, তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
এদিকে ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার হাজীপাড়া এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন অটোরিকশার চালকেরা। দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা হাজীপাড়ায় সড়ক অবরোধ করেন। তারপর বিক্ষোভকারীদের উঠে যেতে বললে পুলিশের সঙ্গে প্লাটাপাল্টি ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁদের ওপর টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
এ বিষয় ডেমরা থানার উপপরিদর্শক মো. তাওহিদ ঘটনাস্থল থেকে বলেন, এখন আর কোনো বিক্ষোভকারী নেই। তারা সড়কে অবরোধ করছিল, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছিল। তাদের সরে যেতে বলায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তারা পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। পরে বলপ্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে অবস্থানকালে সফরকারী জাহাজগুলোর অধিনায়ক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার উপ-রাষ্ট্রদূতসহ একটি প্রতিনিধি দল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, এরিয়া সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডকইয়ার্ড এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন...
১ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি তেলবাহী একটি ট্যাংক লরি রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে তেল নিয়ে মেসার্স ধুনট ফিলিং স্টেশনে আসে। এ খবর পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে চালকেরা ফিলিং স্টেশনে জড়ো হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ পুলিশের সহযোগিতা...
১ ঘণ্টা আগে
ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। চট্টগ্রামের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ। কিছু কিছু স্টেশন কেবল ডিজেল বিক্রি করছে। খুব কম স্টেশনই পেট্রল ও অকটেন বিক্রি করছে।
২ ঘণ্টা আগে
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেলের অবাধ চলাচলের কারণে নিরাপত্তা ও স্বস্তি নষ্ট হচ্ছে পর্যটকদের। এই অবস্থায় ভবিষ্যতে এ এলাকার পর্যটন খাতে বড় ধরনের ধস নামতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। তাই ‘নামমাত্র’ অভিযান নয়, বরং স্থায়ীভাবে সৈকতে মোটরসাইকেল প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন...
২ ঘণ্টা আগে