স্মার্টফোনে গেমস খেলতে পছন্দ করেন এ রকম ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম নয়। দেশের বাজারে এ ধরনের স্মার্টফোনের খোঁজ নিতে প্রায়ই গ্রাহকদের দেখা যায়। এখানে কম দামে কিছু গেমিং ফোনের তালিকা দেওয়া হলো।
ওয়ালটন আরএক্স ৭ মিনি:
কম দামে ভালো গেমিং ফোন খুঁজছেন? সেক্ষেত্রে ওয়ালটন আরএক্স ৭ মিনি ফোনটি হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। মিডিয়াটেকের শক্তিশালী হেলিও পি৬০ প্রসেসর চালিত ফোনটিতে রয়েছে ৩ জিবি র্যাম আর ৩২ জিবি স্টোরেজ। ওয়ালটন আরএক্স ৭ মিনিতে থাকছে ৩০০০ মিলিএম্প ব্যাটারি। ৬.১ ইঞ্চি এইচডি+ ডিসপ্লের ফোনটিতে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল ডুয়েল ক্যামেরা ও ৮ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। ফোনটির পেছনে রয়েছে ফিংগার প্রিন্ট সেন্সর। স্মার্টফোনটির দাম মাত্র ৮৪৪৯ টাকা মাত্র।
টেকনো স্পার্ক ৭:
গেমিং এর জন্য একটি পারফেক্ট ব্যালান্সড ফোন হচ্ছে টেকনো স্পার্ক ৭। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে। ১৬ মেগাপিক্সেলের ব্যাক ও ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে ফোনটিতে। ৪ জিবি র্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ এর ফোনটিতে রয়েছে ৬০০০ মিলিএম্প এর বিশাল ব্যাটারি। টেকনো স্পার্ক ৭ ফোনটি চলবে মিডিয়াটেক এর হেলিও জি৭০ প্রসেসর দ্বারা। এছাড়াও ফোনটির ব্যাকে ফিংগার প্রিন্ট সেন্সর তো থাকছেই। ফোনটির দাম ১১,৯৯০ টাকা।
ওয়ালটন আরএক্স৮:
এই কম দামে সেরা গেমিং ফোনের তালিকায় ওয়ালটন আরএক্স ৮ মিনি ফোনটি দেখতে সবচেয়ে আকর্ষণীয়। এই ফোনটি বাজারে এনে “দামে কম, মানে ভালো” কথাটির বাস্তবিক উদাহরণ দেখিয়েছে দেশি ব্র্যান্ড ওয়ালটন। ৪ জিবি র্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ এর এই ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৬৬০ প্রসেসর, যা এই দামে অনন্য। এছাড়াও ফোনটিতে ১২ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরার পাশাপাশি রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রাওয়াইড ক্যামেরা। ৬.৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ ডিসপ্লের ফোনটিতে রয়েছে ৩৬০০ মিলিএম্প এর ব্যাটারি। ওয়ালটন আরএক্স ৮ মিনি ফোনটির পেছনে রয়েছে ফিংগার প্রিন্ট সেন্সর। ওয়ালটন আরএক্স ৮ মিনি এর দাম ১২,৯৯৯ টাকা।
স্যামসাং গ্যালাক্সি এম ২ এস:
স্যামসাং এর ফোন আর গেমিং যাদের পছন্দ, তাদের জন্য স্যামসাং গ্যালাক্সি এম ২ এস হতে পারে ১২ হাজার টাকার মধ্যে সেরা একটি ফোন। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫ ইঞ্চির এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৪৫০ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে ফোনটিতে। স্যামসাং গ্যালাক্সি এম ২ এস এ রয়েছে ৪ জিবি র্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ। ৫০০০ মিলিএম্প এর বিশাল ব্যাটারি রয়েছে ফোনটিতে। এতে ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা সেটাপ ও ৫ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। স্যামসাং গ্যালাক্সি এম ২ এস এর দাম ১১,২৯৯ টাকা।
রিয়েলমি সি১৫ কোয়ালকম এডিশন:
বড় ব্যাটারি, ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট ও স্ম্যাপড্রাগন প্রসেসর দিয়ে আমাদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে রিয়েলমি সি১৫ কোয়ালকম এডিশন। কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৪৬০ প্রসেসর দ্বারা চালিত ফোনটিতে রয়েছে ৬০০০ মিলিএম্প এর বিশাল ব্যাটারি। লম্বা সময় ধরে যারা গেম খেলতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই ফোনটি আদর্শ সমাধান। ফোনটিতে রয়েছে ৪ জিবি র্যাম ও ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। ক্যামেরা হিসেবে ১৩ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরার পাশাপাশি রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রাওয়াইড ক্যামেরা। ফোনটির সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। রিয়েলমি সি১৫ কোয়ালকম এডিশন এর দাম ১২,৯৯০ টাকা।
রিয়েলমি নারজো ৩০ এ:
গেমারদের কথা মাথায় রেখেই মূলত রিয়েলমির নারজো সিরিজের ফোনগুলো তৈরি। এরই ধারাবাহিকতায় বাজেটের মধ্যে শক্তিশালী মিডিয়াটেক হেলিও জি৮৫ প্রসেসর চালিত ফোন, রিয়েলমি নারজো ৩০এ তে রয়েছে ৪ জিবি র্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ। স্মার্টফোনটির ব্যাটারি হচ্ছে ৬০০০ মিলি এম্পায়ার।
৬.৫ ইঞ্চির ফুল এইচডি ডিসপ্লের ফোনটিতে থাকছে ১৩ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল ক্যামেরা সেটাপ। ফোনটির সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। স্মার্টফোনটির দাম ১২,৯৯০ টাকা।

আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
২৬ মিনিট আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৩০ মিনিট আগে
গত ৫০ বছরে ত্বকের ক্যানসারের হার বাড়তে থাকায় সূর্যের আলো নিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। অতিরিক্ত সূর্যালোক ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়—এ বিষয়ে প্রমাণ এখন শক্তিশালী। ফলে সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা এবং সানস্ক্রিন ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায়...
১৩ ঘণ্টা আগে
উনিশ শতকের শুরুর দিকে ঝিটকা ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আকারে ধনে, পেঁয়াজ ও রসুনের চাষ হতো। ইছামতী নদীপথে নৌকায় করে এসব কৃষিপণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিতেন ব্যবসায়ীরা। সে সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী আনন্দ মোহন পোদ্দারের দুই ছেলে যোগেশ্বর মোহন পোদ্দার ও রায়চরণ মোহন পোদ্দার ধনের ব্যবসা শুরু করেন। বড় বড়...
১৬ ঘণ্টা আগে