
ইসরায়েল–ফিলিস্তিন যুদ্ধ আজ মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে গড়াল। এই যুদ্ধের জেরে শীর্ষ স্থানীয় অনেক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে। তেল আবিবের বিমানবন্দরে অর্ধেকের মতো ফ্লাইট গত রোববার কার্যক্রম চালায়নি। এর মধ্যে গতকাল সোমবার এক-তৃতীয়াংশ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল বা সীমিত করা বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে আমেরিকান এয়ারলাইনস, এয়ার কানাডা, এয়ার ফ্রান্স, ডেল্টা এয়ার লাইনস, ইজিপ্ট এয়ার, এমিরাতস, ফিনল্যান্ডের ফিনএয়ার, ডাচ কেরিয়ার কেএলএম, জার্মানির লুফথানসা, নরওয়েজিয়ান এয়ার, পর্তুগালের টিএপি, পলিশ কেরিয়ার এলওটি, রায়নায়ার ও ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের নাম রয়েছে।
রাশিয়া ইসরায়েলে তাদের রাত্রিকালীন ফ্লাইট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। অন্যদিকে ইউএস ফেডারেল অ্যাভিয়েশন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সি ও ইসরায়েলের অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এয়ারলাইনসগুলোকে ইসরায়েলের আকাশসীমায় নিরাপদে চলাচল করতে বলেছে। কিন্তু ফ্লাইট বাতিলের মতো পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছে।
রাশিয়া বলছে, ‘অস্থিতিশীল রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি’র কারণে তারা ইসরায়েলগামী ফ্লাইটের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তারা এয়ারলাইনসগুলোকে দিনের বেলা ফ্লাইট চলাচলের সময় ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশনা দিয়েছে।
ইসরায়েলের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, এয়ারলাইনসগুলোর ‘বর্তমান নিরাপত্তা এবং হুমকির তথ্য পর্যালোচনা করা উচিত’। তারা কিছু বিমান চলাচলের রুট পরিবর্তন করার কথাও জানিয়েছে। ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে, দেরিতে ফ্লাইট ছাড়াটা প্রত্যাশিত। তারা এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্কতা হিসেবে ইসরায়েলে আসার সময় অতিরিক্ত জ্বালানি বহন করার পরামর্শ দিয়েছে।
ভার্জিন আটলান্টিক এয়ার লাইনস জানিয়েছে, তারা কিছু ফ্লাইট চালিয়ে যাবে। তবে গ্রাহকেরা চাইলে তাঁদের টিকিটের জন্য পুনরায় বুক করতে বা ফেরতের অনুরোধ করতে পারেন।
যুক্তরাজ্যের ইজিজেট এয়ারলাইনস তাদের তেল আবিবগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে গত রোববার ও সোমবার। হাঙ্গেরির উইজ এয়ার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তেল আবিব থেকে আসা ও যাওয়ার সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। আয়গিয়ান, সুইস ও অস্ট্রিয়ান এয়ার লাইনসগুলো ইতিমধ্যে তেল আবিবে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। চীন, হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে তেল আবিবগামী সব ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।
ইসরায়েলের ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ই১ এ১ জানিয়েছে, ইসরায়েলি নিরাপত্তাবাহিনীর নির্দেশনা অনুযায়ী তারা এখনো তেল আবিব থেকে তাদের ফ্লাইট চালু রেখেছে। তবে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল থেকে বিমান উড্ডয়ন করছে এখন।
গত শনিবার আকস্মিকভাবে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে হামাস। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করে এ সংগঠনটি। শনিবার ভোর থেকে স্থল, জল ও আকাশপথে সমন্বিত হামলা করে তারা। জবাবে ইসরায়েলি সেনারাও নির্বিচারে হামলা চালায় ফিলিস্তিনে। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১৭০০ জন নিহত হয়েছে।

ইসরায়েল–ফিলিস্তিন যুদ্ধ আজ মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে গড়াল। এই যুদ্ধের জেরে শীর্ষ স্থানীয় অনেক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে। তেল আবিবের বিমানবন্দরে অর্ধেকের মতো ফ্লাইট গত রোববার কার্যক্রম চালায়নি। এর মধ্যে গতকাল সোমবার এক-তৃতীয়াংশ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল বা সীমিত করা বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে আমেরিকান এয়ারলাইনস, এয়ার কানাডা, এয়ার ফ্রান্স, ডেল্টা এয়ার লাইনস, ইজিপ্ট এয়ার, এমিরাতস, ফিনল্যান্ডের ফিনএয়ার, ডাচ কেরিয়ার কেএলএম, জার্মানির লুফথানসা, নরওয়েজিয়ান এয়ার, পর্তুগালের টিএপি, পলিশ কেরিয়ার এলওটি, রায়নায়ার ও ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের নাম রয়েছে।
রাশিয়া ইসরায়েলে তাদের রাত্রিকালীন ফ্লাইট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। অন্যদিকে ইউএস ফেডারেল অ্যাভিয়েশন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সি ও ইসরায়েলের অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এয়ারলাইনসগুলোকে ইসরায়েলের আকাশসীমায় নিরাপদে চলাচল করতে বলেছে। কিন্তু ফ্লাইট বাতিলের মতো পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছে।
রাশিয়া বলছে, ‘অস্থিতিশীল রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি’র কারণে তারা ইসরায়েলগামী ফ্লাইটের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তারা এয়ারলাইনসগুলোকে দিনের বেলা ফ্লাইট চলাচলের সময় ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশনা দিয়েছে।
ইসরায়েলের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, এয়ারলাইনসগুলোর ‘বর্তমান নিরাপত্তা এবং হুমকির তথ্য পর্যালোচনা করা উচিত’। তারা কিছু বিমান চলাচলের রুট পরিবর্তন করার কথাও জানিয়েছে। ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে, দেরিতে ফ্লাইট ছাড়াটা প্রত্যাশিত। তারা এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্কতা হিসেবে ইসরায়েলে আসার সময় অতিরিক্ত জ্বালানি বহন করার পরামর্শ দিয়েছে।
ভার্জিন আটলান্টিক এয়ার লাইনস জানিয়েছে, তারা কিছু ফ্লাইট চালিয়ে যাবে। তবে গ্রাহকেরা চাইলে তাঁদের টিকিটের জন্য পুনরায় বুক করতে বা ফেরতের অনুরোধ করতে পারেন।
যুক্তরাজ্যের ইজিজেট এয়ারলাইনস তাদের তেল আবিবগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে গত রোববার ও সোমবার। হাঙ্গেরির উইজ এয়ার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তেল আবিব থেকে আসা ও যাওয়ার সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। আয়গিয়ান, সুইস ও অস্ট্রিয়ান এয়ার লাইনসগুলো ইতিমধ্যে তেল আবিবে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। চীন, হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে তেল আবিবগামী সব ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।
ইসরায়েলের ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ই১ এ১ জানিয়েছে, ইসরায়েলি নিরাপত্তাবাহিনীর নির্দেশনা অনুযায়ী তারা এখনো তেল আবিব থেকে তাদের ফ্লাইট চালু রেখেছে। তবে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল থেকে বিমান উড্ডয়ন করছে এখন।
গত শনিবার আকস্মিকভাবে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে হামাস। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করে এ সংগঠনটি। শনিবার ভোর থেকে স্থল, জল ও আকাশপথে সমন্বিত হামলা করে তারা। জবাবে ইসরায়েলি সেনারাও নির্বিচারে হামলা চালায় ফিলিস্তিনে। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১৭০০ জন নিহত হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
২ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
২ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে