নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোসহ বেশ কিছু অভিযোগ তুলে একতারা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম বলেছেন, ‘লোকদেখানো ভোট হচ্ছে।’
আজ সোমবার দুপুরে মানিকদী ইসলামিয়া মডেল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
এই নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে কোনো আগ্রহ নেই জানিয়ে হিরো আলম বলেন, সকাল থেকে মানুষের মধ্যে আগ্রহ ছিল যে সুষ্ঠু একটা নির্বাচন হবে। কিন্তু যখন মানুষ দেখছে এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হইতেছে না, তখন ভোটারদের মধ্যেও একটা ভয় ঢুকে গেছে। মানুষ এখন ভাবছে, ভোট দিলেও নৌকা পাস করবে, না দিলেও নৌকা পাস করবে। এমন চিন্তা করে ভোটাররা ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। লোকদেখানো ভোট হচ্ছে।
কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে হিরো আলম বলেন, ‘অনেক কেন্দ্রে আমার এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। অনেককে সকালে ভয় দেখিয়ে বের করে দিয়েছে। সবাই তো আমাদের মতো সাহসী না। কয়েকজনকে মারধরও করা হয়েছে।’
নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেবেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না। ভোট বর্জন করব না। কারণ, আমি চাই জনগণ দেখুক, দেশে নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হইতেছে। জনগণ দেখুক, আমাদের ওপর কীভাবে অত্যাচার হইতেছে, এজেন্টদের বের করে দেওয়া হইতেছে, কেন আমরা ফেল করলাম। দেশের মানুষের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য আমি শেষ পর্যন্ত থাকব।’
একতারা প্রতীকের প্রার্থী হিরো আলম বলেন, ‘আজকে আমি যদি নির্বাচনে না থাকতাম তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হইতেছে কি না, জালিয়াতি কতটুকু হইতেছে, তা আপনারা বুঝতে পারতেন না। আমি নির্বাচনে থাকাতে আপনারা অনেক কিছু দেখতে পারছেন। এটা দেখানোর জন্যই আমি মাঠে ছিলাম।’
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে না জানিয়ে হিরো আলম বলেন, ‘আমার এজেন্টদের রাখার যাদের হিম্মত নেই, তাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোসহ বেশ কিছু অভিযোগ তুলে একতারা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম বলেছেন, ‘লোকদেখানো ভোট হচ্ছে।’
আজ সোমবার দুপুরে মানিকদী ইসলামিয়া মডেল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
এই নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে কোনো আগ্রহ নেই জানিয়ে হিরো আলম বলেন, সকাল থেকে মানুষের মধ্যে আগ্রহ ছিল যে সুষ্ঠু একটা নির্বাচন হবে। কিন্তু যখন মানুষ দেখছে এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হইতেছে না, তখন ভোটারদের মধ্যেও একটা ভয় ঢুকে গেছে। মানুষ এখন ভাবছে, ভোট দিলেও নৌকা পাস করবে, না দিলেও নৌকা পাস করবে। এমন চিন্তা করে ভোটাররা ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। লোকদেখানো ভোট হচ্ছে।
কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে হিরো আলম বলেন, ‘অনেক কেন্দ্রে আমার এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। অনেককে সকালে ভয় দেখিয়ে বের করে দিয়েছে। সবাই তো আমাদের মতো সাহসী না। কয়েকজনকে মারধরও করা হয়েছে।’
নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেবেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না। ভোট বর্জন করব না। কারণ, আমি চাই জনগণ দেখুক, দেশে নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হইতেছে। জনগণ দেখুক, আমাদের ওপর কীভাবে অত্যাচার হইতেছে, এজেন্টদের বের করে দেওয়া হইতেছে, কেন আমরা ফেল করলাম। দেশের মানুষের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য আমি শেষ পর্যন্ত থাকব।’
একতারা প্রতীকের প্রার্থী হিরো আলম বলেন, ‘আজকে আমি যদি নির্বাচনে না থাকতাম তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হইতেছে কি না, জালিয়াতি কতটুকু হইতেছে, তা আপনারা বুঝতে পারতেন না। আমি নির্বাচনে থাকাতে আপনারা অনেক কিছু দেখতে পারছেন। এটা দেখানোর জন্যই আমি মাঠে ছিলাম।’
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে না জানিয়ে হিরো আলম বলেন, ‘আমার এজেন্টদের রাখার যাদের হিম্মত নেই, তাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৭ মিনিট আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
১১ মিনিট আগে
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের পরদিনই শাকসু নির্বাচন, অর্থাৎ কালকে রায় হলে পরশু ইলেকশন। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসুর নির্বাচনের পক্ষে ইতিবাচক রায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।
১৪ মিনিট আগে
এক শীত চলে গেছে, আরেক শীতের মৌসুম শেষ হওয়ার পথে, তবু শীতার্তদের জন্য বিদেশে থেকে অনুদান হিসেবে পাওয়া ৮ কনটেইনার শীতবস্ত্র পৌঁছায়নি দুস্থদের কাছে। ১০ মাস আগে এসব শীতবস্ত্র কনটেইনারে করে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় মালপত্র এখনো খালাস করা যায়নি।
১৬ মিনিট আগে