নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার পর দলে দলে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে আসছেন। এদিকে জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
ডিএমপি অনুমতি দেওয়ায় আজ শনিবার সকালে সমাবেশস্থল রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের সামনে এ চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা ১১টা থেকে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। সমাবেশস্থলের ভেতরে ইতিমধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কয়েক শ নেতা-কর্মী হাজির হয়েছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দলটির নেতা-কর্মীদের সংখ্যাও বাড়ছে সমাবেশস্থলে।
এদিকে জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি যেন না হয়, সেই উদ্দেশ্যে সমাবেশস্থলে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের ভেতরে ও বাইরে থানার পুলিশের পাশাপাশি রিজার্ভ পুলিশ সদস্যরাও মোতায়েন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ জুন) রাতে ডিএমপি জামায়াতকে মৌখিকভাবে অনুমতি দেয় শনিবার (১০ জুন) বেলা ২টায় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সমাবেশ করার জন্য। জামায়াতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমতি দেয় ডিএমপি।
এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান জানান, জামায়াতে ইসলামীকে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। শনিবার বেলা ২টায় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
পরে শুক্রবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপস) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে জামায়াতকে সমাবেশ করার জন্য লিখিত নয়, মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, আপনারা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সমাবেশ করতে পারেন।
কোনো ধরনের শর্ত দেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে বিপ্লব বলেন, যেহেতু লিখিতভাবে কোনো কিছু জানানো হয়নি, তাই শর্তের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। লিখিত অনুমতি হলে শর্তের বিষয়টি থাকত। তবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, `আমরা ঢাকা মহানগরবাসীর জন্য যেখানে যেমন প্রয়োজন সেভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। যেকোনো জায়গায় আমাদের এই নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে। কোথাও প্রোগ্রাম হলে আমাদের এই নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে। জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করেও আমাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।'

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার পর দলে দলে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে আসছেন। এদিকে জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
ডিএমপি অনুমতি দেওয়ায় আজ শনিবার সকালে সমাবেশস্থল রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের সামনে এ চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা ১১টা থেকে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। সমাবেশস্থলের ভেতরে ইতিমধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কয়েক শ নেতা-কর্মী হাজির হয়েছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দলটির নেতা-কর্মীদের সংখ্যাও বাড়ছে সমাবেশস্থলে।
এদিকে জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি যেন না হয়, সেই উদ্দেশ্যে সমাবেশস্থলে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের ভেতরে ও বাইরে থানার পুলিশের পাশাপাশি রিজার্ভ পুলিশ সদস্যরাও মোতায়েন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ জুন) রাতে ডিএমপি জামায়াতকে মৌখিকভাবে অনুমতি দেয় শনিবার (১০ জুন) বেলা ২টায় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সমাবেশ করার জন্য। জামায়াতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমতি দেয় ডিএমপি।
এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান জানান, জামায়াতে ইসলামীকে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। শনিবার বেলা ২টায় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
পরে শুক্রবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপস) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে জামায়াতকে সমাবেশ করার জন্য লিখিত নয়, মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, আপনারা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সমাবেশ করতে পারেন।
কোনো ধরনের শর্ত দেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে বিপ্লব বলেন, যেহেতু লিখিতভাবে কোনো কিছু জানানো হয়নি, তাই শর্তের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। লিখিত অনুমতি হলে শর্তের বিষয়টি থাকত। তবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, `আমরা ঢাকা মহানগরবাসীর জন্য যেখানে যেমন প্রয়োজন সেভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। যেকোনো জায়গায় আমাদের এই নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে। কোথাও প্রোগ্রাম হলে আমাদের এই নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে। জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করেও আমাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।'

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে