মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

সেকশন

 

চনপাড়া বস্তির সেই বজলু মেম্বারের ঢামেকে মৃত্যু

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৩, ২৩:১৬

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চনপাড়ার ইউপি সদস্য বজলুর রহমান ওরফে বজলু। ছবি: সংগৃহীত  মাদক ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চনপাড়ার ইউপি সদস্য বজলুর রহমান ওরফে বজলু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান। 

হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

বজলু রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে ‘মাদক ব্যবসা’ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ছিল। গত বছরের ১৮ নভেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। 

পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের তত্ত্বাবধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বজলুর রহমান। তাঁর হাজতি নম্বর ছিল নম্বর ১৩৮৭০ / ২৩। 

গত ২৩ মার্চ নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। সেদিনই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাত তলা ৭০১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ মার্চ আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। 

স্বজনরা জানান, বজলুর রহমানের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়ায়। বাবার নাম নাদের বক্স সরদার। স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তিন মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। মৃত বজলুর রহমান রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। 

গত বছর বুয়েট ছাত্র ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর ঘটনায় চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাদক প্রসঙ্গ উঠে এলে আলোচনায় আসেন বজলুর রহমান। গত সেপ্টেম্বরে চনপাড়ায় এক মাদকবিরোধী অভিযানে র‍্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় করা একটি মামলার প্রধান আসামি ছিলেন বজলুর রহমান। 

গত ১০ নভেম্বর র‍্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মাদক ব্যবসায়ী রাশেদুল ইসলাম শাহীন ওরফে সিটি শাহীন বজলুর অন্যতম সহযোগী ছিলেন। গত ১৮ নভেম্বর গ্রেপ্তারের পর র‍্যাব তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও জাল টাকা রাখার অভিযোগে তিনটি মামলা করে। এই তিন মামলার বাইরেও বজলুর বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকসহ অন্তত ২৩টি মামলা ছিল বলে তখন জানিয়েছিল র‍্যাব।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন বজলুর রহমান। ওই কারাগারের জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন বলেন, বজলুর ডায়াবেটিক, হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত ২৩ মার্চ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সেদিনই ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ বলেন, আইনী প্রক্রিয়া শেষ করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    দেশের শীর্ষ করদাতা কাউছ মিয়া মারা গেছেন

    পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    ব্যক্তিগত কাজে অফিসের গাড়ি, অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গজারিয়ায় আওয়মী লীগের ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলি, আহত ৯

    স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা ষড়যন্ত্র করে চলছে: ক্রীড়া মন্ত্রী 

    বুয়েট উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা

    খাগড়াছড়ি পাহাড়ে রঙিন আম, বেশি দাম

    বৃষ্টি আনতে গুলবাদিনের অভিনয়, লিটনের মজা

    দেশের শীর্ষ করদাতা কাউছ মিয়া মারা গেছেন

    চাঁদপুরে দুই বাড়ি থেকে ৮৩ বস্তা প্রকল্পের চাল উদ্ধার, আটক ২ 

    সীমান্তে চিনি চোরাচালানে সিলেট ছাত্রলীগ