নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে মানুষের কল্যাণে আত্মোৎসর্গের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। এ প্রতিজ্ঞায় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, স্বাধীনতাবিরোধীদের রুখে দিতে হবে, বহির্বিশ্বে বাঙালির স্বতন্ত্র সত্তার পরিচয় তুলে ধরতে হবে।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর সবুজবাগ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের অনাথালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সুষম খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর সত্তা ও আদর্শের শিক্ষা দিতে হবে বলে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের জানাতে হবে—বঙ্গবন্ধুর মানসিকতা কী ছিল, তাঁর দেশপ্রেম কেমন ছিল, তাঁর অসাম্প্রদায়িকতা কেমন ছিল। বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করে আমাদের অস্তিত্বের শেকড়ে ফিরে যেতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ উত্তরসূরি শেখ হাসিনার মাঝে তার রাজনৈতিক দর্শন যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দিয়ে যাচ্ছেন। এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আজকের শিশু ও তরুণেরাই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন—বুড্ডিস্ট ফেডারেশনের সভাপতি দিব্যেন্দু বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সাধারণ সম্পাদক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের পানিসম্পদ সম্পাদক রাহুল বড়ুয়া প্রমুখ।
মন্তব্য
ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে