সামনে বিশালাকৃতির মাঠ, নয়নাভিরাম প্রকৃতি আর নৈসর্গিক আচ্ছাদিত চারপাশ—গ্রিন ইউনিভার্সিটির এমন প্রাণোচ্ছল ক্যাম্পাসেই প্রোগ্রামারদের মিলনমেলা বসছে আগামী ১১ মার্চ। ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট (আইসিপিসি) শিরোনামে এই মেলায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৫ শতাধিক প্রোগ্রামার অংশ নেবেন। যেখানে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশসেরা প্রতিযোগী নির্বাচন করা হবে।
এর আগে ২০১৮ সালে ৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬ টিমের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী আন্তবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আইওআই, বুয়েট (দুটি টিম) ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকার করে। এছাড়া সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি অন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ।
কেন এই প্রোগ্রামিং? গ্রিন ইউনিভার্সিটি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ জ্যামিতিক হারে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। সে হিসেবে এ ধরনের প্রোগ্রামিং কনটেস্ট সময়ের দাবি। তাদের ভাষ্য, প্রতিযোগিতা করলেই বুদ্ধিমত্তার দিকটি ফুটে ওঠে। তখন বোঝা যায়, প্রযুক্তিতে কে বা কারা কতটুকু এগিয়ে কিংবা পিছিয়ে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, একুশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রোগ্রামিং ব্যাপকভাবে সহায়তা করছে, ভবিষ্যতেও করবে। তিনি বলেন, কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে হলে অবশ্যেই প্রোগ্রামিং শিখতে হবে এবং তা বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রোগ্রামিং শিখতে হলে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়া জরুরি না। সুতরাং প্রোগ্রামিং সবার জন্য। যে কেউ এই প্রতিযোগিতায় শামিল হতে পারে।
প্রোগ্রামিং কনটেস্টের মাধ্যমে গ্রিন ইউনিভার্সিটি জাতীয় পর্যায়েও অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ার ও বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আজাদ বলেন, আইসিপিসি সারা বিশ্বে সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু প্রোগ্রামিং শিখবে তা নয়, চতুর্থ শিল্প চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রেও তারা দক্ষ হয়ে গড়ে উঠবে। প্রোগ্রামিং শুধু ভালো চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, মজার ছলে সমস্যা সমাধান করার মাধ্যমও হলো এই প্রোগ্রামিং। সুতরাং ভালো প্রোগ্রামার হলে চাকরি খুঁজতে হবে না, চাকরিই প্রার্থীকে খুঁজে নেবে।
এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রোগ্রামিং কনটেস্টের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ১২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৬৪৮টি টিম প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। যেখান থেকেই প্রিলির মাধ্যমে ১৭০টি টিম চূড়ান্ত হয়। প্রতিযোগিতায় ‘ডিইউ নট স্ট্রং এনাফ’ নামে একটি টিম প্রথম, বুয়েটের ‘পটেটোস’ দ্বিতীয় এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বার্লেক্যাম্প ম্যাসে’ তৃতীয় স্থান অর্জন করে। শীর্ষ ১০ স্থান অর্জনকারী অন্যান্য টিম হলো-ডিইউ ফ্লেরব্লিটজ, বুয়েট সম্মোহিত, রুয়েট আফটারম্যাথ, জেইউ কেজিভিডি ৪৭২৯, বুয়েট কমেডিয়ান অব ইররস, আইওআই ১ এবং ডিইউ নট রেডি ইয়েট। এছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, গ্রিন ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল, ইউল্যাব, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, আইআইইউসিসহ পাবলিক ও প্রাইভেট পর্যায়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হয়। প্রতিযোগীদের মধ্যে ১টি টিম ১০টি সমস্যা সমাধানে সক্ষম হয়।
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্বের প্রাচীনতম, বৃহত্তম এবং সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা হলো ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট (আইসিপিসি)। দলভিত্তিক এই আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় প্রতিটি দল থেকে মোট তিনজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে থাকে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ আইসিপিসিতে অংশ নিয়ে আসছে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে আন্তবিভাগীয় প্রতিযোগিতা ‘টেক্সটাইটান্স’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
বছর যায়, বছর আসে। সময়ের অবিরাম প্রবাহে মানুষের জীবনে জমা হয় অসংখ্য স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা। পুরোনোকে বিদায় এবং নতুনকে বরণে যখন সবাই ব্যস্ত, তখন দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠকবন্ধু শাখাগুলোও বসে থাকেনি।
৮ ঘণ্টা আগে
বৈশাখের ছোঁয়ায় নতুন রূপে সেজেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অপরূপ ছায়াঘেরা সবুজ ক্যাম্পাসে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোনো গাছগুলো যেন চারদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে নবজীবনের এক বার্তা। কোথাও রক্তরাঙা ফুলে ছেয়ে গেছে ডালপালা, আবার কোথাও ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে আম ও লিচুগাছ।
৯ ঘণ্টা আগে
ম্রো জনগোষ্ঠীর কোনো মেয়ে এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি যেমন একটি বড় অপূর্ণতা ছিল, তেমনি ম্রো জনগোষ্ঠীর মেয়েদের জন্যও ছিল এক অপ্রাপ্তি। সেই অপ্রাপ্তি পূরণ করলেন য়াপাও ম্রো।
৯ ঘণ্টা আগে