সাদ্দাম হোসেন বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক এজিএস। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের পরিচয়ধারীদের বেপরোয়া আচার-আচরণ মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ছাত্রলীগ এখন আতঙ্কের নাম। এই পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগের সভাপতি আজকের পত্রিকার মাসুদ রানার মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।
আজকের পত্রিকা: ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ কেন? আপনার কি মনে হয় এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই?
সাদ্দাম হোসেন: ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে কোথাও কোনো অন্যায় হচ্ছে না, সেটা আমি বলব না। তবে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ঢালাও প্রচারণা গণমাধ্যমে বেশি হচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ভরসার সংগঠন হলো ছাত্রলীগ। অতীতের উজ্জ্বল ঐতিহ্যের সঙ্গে বর্তমান দেশীয় ও পরিবর্তনশীল বিশ্ব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ছাত্ররাজনীতিতে নতুন ধারা অন্তর্ভুক্ত করার মতো রাজনৈতিক সক্ষমতা ছাত্রলীগের রয়েছে। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে র্যাগিং, বুলিং, টিজিং, যৌন নির্যাতনমুক্ত করার কাজে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে আমরা পুরোপুরি সফল
হতে পারিনি।
ছাত্রলীগ যেমন শিকড়ের সন্ধান করতে জানে, তেমনি নতুন দিনের পথ দেখাতেও জানে। ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও স্বপ্নের প্রাণকেন্দ্রে থাকে। মৌলবাদ, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করে এমন বিষয়, ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত করার ঘটনা প্রতিরোধে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে তার ভূমিকা সব সময় পালন করে আসছে।
সুস্থ ধারার ছাত্ররাজনীতি করার অঙ্গীকার আমাদের যে রয়েছে, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ যেকোনো ধরনের অন্যায়-অপকর্মের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের জিরো টলারেন্স নীতি। কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত করে অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যাঁরা সংগঠনবিরোধী বা সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়—এমন সব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন, তাঁদের জন্য ছাত্রলীগের দুয়ার বন্ধ।
আজকের পত্রিকা: সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘দখলবাজি আর চাঁদাবাজির কারণে ছাত্ররাজনীতিকে এখন আর মানুষ আগের মতো সম্মানের চোখে না দেখে নেতিবাচকভাবে দেখে।’ আপনি কী মনে করেন?
সাদ্দাম হোসেন: ছাত্ররাজনীতিতে কিছু নেতিবাচক উপাদান প্রবেশ করেছে, এটা সত্যি। আমাদের দেশে সামরিক শাসনামলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ পরিবর্তন করে ছাত্রসংগঠনের যে স্বকীয়, স্বাতন্ত্র্য চরিত্র এবং সাংগঠনিক স্বাধীনতা ছিল, সেসব ক্ষুণ্ন করে রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের ধারণা নিয়ে আসা হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনকে রণাঙ্গনে পরিণত করা হয়, শিক্ষার্থীদের জাতীয় রাজনীতির গিনিপিগে পরিণত করা হয়। এর প্রভাব কিন্তু এখনো ছাত্ররাজনীতিতে নেতিবাচকভাবে রয়ে গেছে। তা ছাড়া, ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ার কারণেও কতগুলো ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে জবাবদিহি নেই, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অভাব, শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো কাজ করার প্রতিযোগিতা নেই।
তবে ছাত্ররাজনীতির কারণেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কিছু গুণগত পরিবর্তনও লক্ষ করা যাচ্ছে। উচ্চশিক্ষায় যে দুর্বিষহ সেশনজট ছিল, তা দূর হয়েছে। এরশাদ বা খালেদা জিয়া ভ্যাকেশনের বাস্তবতা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন নেই। সেশনজটমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের একটি ইতিবাচক ভূমিকা আছে। ক্যাম্পাসগুলোতে রণাঙ্গনের পরিস্থিতি তৈরি করে বন্দুকযুদ্ধের যে বাস্তবতা ছিল, সেটা থেকে মুক্ত হয়েছে। বহিরাগত সশস্ত্র ক্যাডার দ্বারা ছাত্ররাজনীতি পরিচালনা করার যে বাস্তবতা ছিল, সেটাও আর নেই। এগুলো ছাত্রলীগেরই অবদান।
তবে এটাও ঠিক যে আমরা অনেকের প্রত্যাশা পূরণের জায়গায় ছাত্রলীগকে নিয়ে যেতে পারিনি। এর পেছনেও কিছু বাস্তব কারণ রয়েছে। সব শিক্ষার্থীর প্রত্যাশা পূরণ করার মতো বাস্তব অবস্থা এখনো তৈরি হয়নি।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবাসনসংকট রয়েছে। এ সমস্যাকে কেন্দ্র করে অনেক সময় ছাত্ররাজনীতি করার চেষ্টা হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক রাজনীতির একটি বিষয় আছে। এসব কারণে আমাদের ছাত্ররাজনীতিতে কিছু ক্ষেত্রে বিচ্যুতি ঘটছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য হতাশার কারণ হয়েছে। কিন্তু সেশনজট ও সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাসের ধারাবাহিকতায় যদি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে পারি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণাকর্ম বাড়াতে পারি, তাহলে স্মার্ট ক্যাম্পাসের ধারণা ফলপ্রসূ হবে।
ছাত্ররাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের গুণগত মানসম্পন্ন লেখাপড়ার পরিবেশ তৈরি করা, তাদের ক্যারিয়ারের উন্নয়নের জন্য ভূমিকা রাখা, পঠন-পাঠন-সিলেবাস আধুনিক ও কর্ম বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমির মধ্যে সুসম্পর্ক নিশ্চিত করা। এসব লক্ষ্য পূরণ করতে পারলে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে যে হতাশা বা নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, তা দূর করা সম্ভব হবে।
আজকের পত্রিকা: সম্প্রতি ইডেন কলেজ ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতারা যা করেছেন, তাতে আপনি নিজে বিব্রত কি না?
সাদ্দাম হোসেন: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রলীগের কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িয়ে পড়লে, সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া হলে, সেটা নিশ্চয় দোষের। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেসব ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে, তার প্রতিটির ক্ষেত্রেই দ্রুত সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা বলেছি, র্যাগিং, বুলিং, যৌন নির্যাতন সুস্পষ্টভাবে ফৌজদারি অপরাধ এবং ছাত্রলীগ করার কারণে এসব থেকে দায়মুক্তি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
আমরা বলেছি, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসন যেন এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আমরা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার যথাযথ পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। আর যখন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, তখন যেমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং একই সঙ্গে ইতিবাচক ব্যাপারগুলোর বার্তা সামনে নিয়ে আসতে হবে।
সম্প্রতি যেসব ঘটনা আলোচিত হয়েছে আমি সুস্পষ্টভাবে মনে করি, তার দায় শুধু ছাত্রসংগঠনের নয়, সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়, হল ও কলেজ প্রশাসনের পর্যাপ্ত মাত্রায় সক্রিয় না থাকা, যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল না থাকা, ছাত্র সংসদের নির্বাচন না থাকা এবং সাংস্কৃতিকভাবে কিছু অবনমন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাগুলো ঘটছে।
আজকের পত্রিকা: সারা দেশে ছাত্রলীগের ওপর কেন্দ্রের কোনো নিয়ন্ত্রণ আছে? নাকি তারা যে যার মতো করে চলে?
সাদ্দাম হোসেন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি বর্তমান বাস্তবতা দেখি তাহলে ছেলেমেয়েরা নির্বিঘ্নে লেখাপড়া করতে পারছে, বিভাগের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছে এবং হলগুলোতে থাকতে পারছে। করোনা মহামারিতে যখন শিক্ষার্থীরা সেশনজটের কবলে পড়ল, তারা অস্বস্তিতে ছিল, তখন ছাত্রলীগ দাবি তুলেছিল স্বল্প সময়ে যেন সিলেবাস শেষ করা হয় এবং সেমিস্টার সিস্টেমের সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। সার্বিকভাবে ছাত্রসমাজের প্রতি ছাত্রলীগের যে দায়বদ্ধতা আছে, সব শাখা অভিন্নভাবে তা করতে পেরেছে বলে আমরা মনে করি।
ছাত্রলীগ লাখো নেতা-কর্মীর সংগঠন। সারা দেশে ছাত্রলীগের ওপর কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ আছে কি নেই, সেটা বোঝা যায় সাংগঠনিকভাবে আমরা কী রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, তা দেখে। শিক্ষাঙ্গনে একাডেমিক পরিবেশ চূড়ান্ত মাত্রায় ক্ষুণ্ন হচ্ছে কি না, সেটাও মাথায় রাখার বিষয়। সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব আসছে কি না, গঠনতন্ত্র প্রতিপালিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত ছাত্রলীগ একটি অভিন্ন সংগঠন। আমাদের সাংগঠনিক শাখাগুলোর সক্রিয়তা রয়েছে এবং ছাত্রসমাজের প্রতি তার নৈতিক, আদর্শিক ও গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।
আজকের পত্রিকা: কয়েক বছর ধরে সবচেয়ে বেশি খবরের শিরোনাম হয়েছে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সংঘাত। কারণ কী?
সাদ্দাম হোসেন: আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে বলেছি, যদি সাংগঠনিক কোনো সমস্যা—মানে মতানৈক্য তৈরি হয়, তাহলে তার সমাধান সাংগঠনিকভাবে করতে হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রে অভিযোগ জমা দিতে পারে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভায় আলোচনা করতে হবে। সাংগঠনিক সমস্যার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমস্যা করা যাবে না। কেউ যদি সাংগঠনিক সমস্যাকে বিষয় করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি করতে চায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা জিরো টলারেন্সের নীতি গ্রহণ করছি এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।
যেসব ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটছে, সে ক্ষেত্রে সাংগঠনিক সমস্যা পুনর্মূল্যায়ন করার চেষ্টা করছি। কোথাও কোনো ঘাটতি আছে কি না, সেসব যাচাই-বাছাই করছি। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আমাদের মনে হয়েছে, কোনো শাখার একটি কমিটি অনেক সময় ধরে চলছে, এ ক্ষেত্রে বাস্তবতা হলো, সংগঠনের চেইন অব কমান্ড অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত মাত্রায় থাকে না। আরেকটি বিষয়, আমরা যখন সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি না করে অন্য প্রক্রিয়ায় গঠন করি, তখন অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকার পরও তারা নেতৃত্বে চলে আসছে এবং তাদের কথা কেউ শুনছে না—সে ক্ষেত্রে সাংগঠনিকভাবে ঐক্য না থাকার কারণে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সাংগঠনিকভাবে যেসব শর্ত আছে—যেমন নির্বাহী সভা করা, গঠনতন্ত্র মোতাবেক কমিটি গঠন, জবাবদিহি, যৌথ নেতৃত্বের ধারণা গঠনতন্ত্রে রয়েছে। কিন্তু আমরা যৌথ নেতৃত্বের ধারণা অনেক ক্ষেত্রে পালন না করে ব্যক্তিসর্বস্ব সংগঠনে পরিণত করছি। এসব কারণেই মূলত সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলার ঘটনাগুলো ঘটছে।
তবে আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর নির্দেশনা দিয়েছি, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যেন সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়, সম্মেলনের মাধ্যমে যেন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয় এবং নির্ধারিত সময়ের পর কমিটি গঠন করা হয়। এসব নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং এসব যদি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, তাহলে বিশৃঙ্খলা, নিজেদের মধ্যে সমস্যা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।
আজকের পত্রিকা: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
সাদ্দাম হোসেন: আপনাদেরও ধন্যবাদ।

ইসলামে পরিচ্ছন্নতা ও সুগন্ধির গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সা.) সুগন্ধি খুব পছন্দ করতেন এবং নিয়মিত ব্যবহার করতেন। সুগন্ধির প্রতি প্রিয় নবী (সা.)-এর বিশেষ অনুরাগ ছিল। তিনি ইরশাদ করেছেন, ‘চারটি বস্তু সব নবীর সুন্নত—আতর, বিয়ে, মেসওয়াক ও লজ্জাস্থান আবৃত রাখা।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২২৪৭৮)
০৭ মার্চ ২০২৬
গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫