টুইটার অধিগ্রহণের পর থেকেই প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন সেবা পর্যালোচনার কথা জানিয়ে আসছিলেন ইলন মাস্ক। এবার যৌথভাবে টুইটের সুবিধা বন্ধ হলো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিতে। ‘কো টুইট’ নামের এ সুবিধা ব্যবহার করে যৌথভাবে টুইট লিখে নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদাভাবে পোস্ট করা যেত। ফলে দুজনের অনুসারীরাই টুইটটি দেখার সুযোগ পেতেন। গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘কো টুইট’ সুবিধা চালু করে টুইটার।
দ্য ভার্জের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুইটার জানিয়েছে, আজ বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে ‘কো টুইট’ সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে প্ল্যাটফর্মটিতে। ফলে যৌথভাবে টুইটের সুবিধা আর থাকছে না টুইটারে। ‘কো টুইট’ সুবিধা ব্যবহার করে প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করা টুইটগুলিও এক মাসের মধ্যে মুছে ফেলা হবে।
সম্প্রতি, প্ল্যাটফর্মের ফন্ট বদলেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া জালিয়াতি ঠেকানোর প্রচেষ্টা হিসেবেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি। বলা হচ্ছে, নতুন এই ফন্ট ছোট একটি পরিবর্তন হলেও প্ল্যাটফর্মের চলমান এক সমস্যা সমাধানে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদাহরণস্বরূপ, ব্যবহারকারীরা প্ল্যাটফর্মে এত দিন ইংরেজি অক্ষর ও ‘O’ এর সঙ্গে ‘জিরো’ নম্বর মিলিয়ে ফেলতেন। ফলে, প্ল্যাটফর্মের অন্যান্য ব্যবহারকারীর ছদ্মবেশ ধারণের সুযোগ পেত স্ক্যামাররা। দেখা যেতো, কারও ইউজারনেমে ‘ও’ থাকলে স্ক্যামার ‘জিরো’ ব্যবহার করে হুবহু দেখতে ইউজারনেম বানিয়ে নিতেন।

আসছে এপ্রিল মাস থেকে ব্রাউজারে ব্যবহার করতে পারবেন না মেসেঞ্জার। থাকবে না টপের অ্যাপ্লিকেশনটিও। ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে দেওয়া এক নোটিসে এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই সমস্যার কারণে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব
৬ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজটির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আজ বুধবার এক বিবৃতিতে ৪৪ লাখ ফলোয়ারের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটির কার্যক্রম বন্ধের কথা জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
বছর পাঁচেক আগে করোনার সংক্রমণে পৃথিবী থেমে গিয়েছিল, পুরো মানবসভ্যতা বিলীন হতে বসেছিল। আর তার ১০০ বছর আগে স্প্যানিশ ফ্লুর বিষাদময় বৈশ্বিক মহামারির ইতিহাসও আমাদের জানা আছে। ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সাল—এই দুই বছরে ২০০ কোটির কম মানুষের এই পৃথিবীর ৩ থেকে ৫ কোটি মানবসন্তানের জীবনহানি ঘটিয়েছিল সেই ভয়ংকর ভাইরাস।
১ দিন আগে