
ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ বলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করতে দুই মাস সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর বলেন, আদালত তাদের অনেকবার সময় দিয়েছেন। আজ চূড়ান্ত আদেশ দিয়েছেন। যদি আট সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সার সংক্ষেপ জমা না দেন তাহলে খারিজ হয়ে যাবে।
তবে জামায়াতের আইনজীবী মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, ‘আদালতের আদেশ অনুসারে মামলার শুনানিতে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেবে। আশা করি জামায়াত নিবন্ধন ফিরে পাবে। আর দুই মাসের মধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করতে পারব। আমাদের প্রধান আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। এ ছাড়া ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক ও এহসান সিদ্দিক আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত আছেন।’
এর আগে ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল। দলটির নিবন্ধন নম্বর ছিল ১৪।
২০০৯ সালে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে এক রিট পিটিশন দায়ের করেন। কয়েক দফা শুনানির পর হাইকোর্ট ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। তবে তখন ইসি থেকে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি। পরে ২৯ অক্টোবর ২০১৮ সালে গেজেট হয়।
আরও পড়ুন:

রাজধানী ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আগামী শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার দলটির ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
হান্নান মাসউদ বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীকে বিভাগে উন্নীত করার জন্য ১৯৯৪ সাল থেকে এই অঞ্চলের জনগণ ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। ভৌগোলিক অবস্থান, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কারণে এই অঞ্চলের একটি স্বতন্ত্র মর্যাদা ও পরিচিতি রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ওয়াসার পানি দুর্গন্ধময়, পানিতে পোকা থাকায় মানুষ পান করতে পারে না বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য (ঢাকা-১২) সাইফুল আলম মিলন। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক দলের অর্জন নয়; এটি ছিল সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সংগ্রামের ফল। বিশেষ করে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই আন্দোলনকে বেগবান করেছে, তবে বর্তমানে তাদের সেই অবদান যথাযথভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে না এবং অনেক ক্ষেত্রে তারা প্রান্তিক হয়ে পড়ছেন।’
৭ ঘণ্টা আগে