Alexa
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

ট্রফি ভাঙার ঘটনায় বিব্রত প্রশাসন, তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:৪৫

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরুবা ইসলাম। ফাইল ছবি বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার ট্রফি ভাঙার ঘটনায় প্রশাসন বিব্রত। আজ রোববার দুপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম এ এইচ হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ট্রফি ভাঙার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজকের মধ্যেই প্রতিবেদন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

হুমায়ুন কবির আরও জানান, এই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে জেলার অতিরিক্ত প্রশাসকদের সমন্বয়ে।

এন আগে, বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে গিয়ে ট্রফি ভেঙে ফেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরুবা ইসলাম। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ইউএনওর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানাচ্ছেন অনেকে। ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে তাঁর অপসারণ দাবি করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল কালাম।  

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের মাংতাই হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আবাসিক স্বাধীন যুব সমাজের উদ্যোগে জুনিয়র একাদশ বনাম রেপারপাড়া বাজার একাদশ ফুটবল টিমের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরুবা ইসলাম। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম এ এইচ হুমায়ুন কবির। ছবি: আজকের পত্রিকা

সমাপনী খেলার প্রথমে দুই দলে ৩৫ মিনিট করে ৭০ মিনিট খেলার পর ড্র হয়ে যায়। এ কারণে রেফারি দুই দলকে টাইব্রেকার খেলার সিদ্ধান্ত দেয়। টাইব্রেকারে আবাসিক জুনিয়র দল তিনটি গোল দেয়, আর রেপার পাড়া একাদশ গোল দেয় একটি। খেলার নিয়ম অনুযায়ী আবাসিক জুনিয়র একাদশ চ্যাম্পিয়ন এবং রেপার পাড়া একাদশ রানার্স আপ হয়। 

কিন্তু জয়-বিজয় নিয়ে বিরোধ থেকেই যায়। একপক্ষ ট্রফি নিতে চায়, আরেক পক্ষ রাজি হয় না। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে মাইক্রোফোন নেন ইউএনও মেহরুবা ইসলাম। তিনি বলেন, ‘খেলায় হার-জিত থাকবে। এতে কারও মন খারাপের কারণ নেই।’ উপস্থিত জনতার কাছে খেলার ফলাফলে সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে কয়েকজন খেলার ‘ফলাফল মানি না’ বলে চিৎকার করে। এতে ইউএনও ক্ষিপ্ত হন। তিনি বলেন, ‘আমি ডিসিশন নিয়েছি, এখন ট্রফিগুলো রেখে মেডেলগুলো দিয়ে যাব। আপনারা যত দিন পর্যন্ত সহনশীল না হতে পারবেন, তত দিন এগুলো (ট্রফিগুলো) আমার কাছে আমানত হিসেবে থাকবে। তারপর আরেকটি ম্যাচ হলে তারপর দেব। আপনারা রাজি নাকি?’ তখন জনতার মধ্যে থেকে একপক্ষ ‘না না’ বলে চিৎকার করে উঠে। 

যদি ট্রফি না থাকত, আমরা খেলতাম না?...আমি ট্রফিটা ভেঙে এখন খেলা শুরু করব—এই বলেই ট্রফি দুটি একে একে আছড়ে ভেঙে ফেলেন ইউএনও।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    বিজিবির নতুন ডিজি নাজমুল, আনসার ডিজি আমিনুল

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিএসএমএমইউ উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    লামায় ম্রোদের ওপর হামলায় উদীচী ও মহিলা পরিষদের উদ্বেগ

    বিটিভিসহ ৬ দপ্তরপ্রধান পদে নতুন মুখ

    প্রধানমন্ত্রী বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন: বিদায়ী মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হতে রাষ্ট্রদূতদের নির্দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিএনপির সমাবেশ: ‘জানমালের ক্ষতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুত বরিশাল আ. লীগ

    বিজিবির প্রতিবাদে বন্ধ হলো হিলি সীমান্তে বিএসএফের কাঁটাতার নির্মাণ

    ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে উপনির্বাচনে ৭২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত

    ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে উপনির্বাচনে ৭২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত