একাডেমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করায় গ্রিন ইউনিভার্সিটির ২৫০ শিক্ষার্থীকে ভিসি ও ডিনস সার্টিফিকেট (সনদ) দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ভার্চুয়ালি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্প্রিং-২০২১ সেমিস্টারের জন্য এই সনদ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ১১৯ শিক্ষার্থী ভিসি এবং ১৩১ শিক্ষার্থীকে ডিনস সনদ পান। পরীক্ষার ফলাফলে যে শিক্ষার্থীরা সিজিপিএ ৩.৯০ থেকে ৪.০০ পেয়েছেন তাঁরা ভিসি সনদ এবং যাদের সিজিপিএ ৩.৮০-৩.৮৯ এর মধ্যে, তাঁরা ডিনস সনদ পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাদ আনোয়ার। তিনি বলেন, একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের আরও এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, একাডেমিক শিক্ষা নিঃসন্দেহে বড় অর্জন। তবে এর চেয়েও বড় হলো সততা। কারণ, সততা ছাড়া সফলতা মূল্যহীন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, শুধু একাডেমিক ক্ষেত্রে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। একুশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জে মোকাবিলায় যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে সব ক্ষেত্রে নিজেকে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে হবে।
প্রযুক্তির শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একাডেমিক ডিগ্রির পাশাপাশি সব ধরনের কার্যক্রমে পারদর্শী হতে হবে।
গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়টির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফায়জুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আজাদ, আইন, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব, ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারেক আজিজ ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে আন্তবিভাগীয় প্রতিযোগিতা ‘টেক্সটাইটান্স’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
বছর যায়, বছর আসে। সময়ের অবিরাম প্রবাহে মানুষের জীবনে জমা হয় অসংখ্য স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা। পুরোনোকে বিদায় এবং নতুনকে বরণে যখন সবাই ব্যস্ত, তখন দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠকবন্ধু শাখাগুলোও বসে থাকেনি।
৮ ঘণ্টা আগে
বৈশাখের ছোঁয়ায় নতুন রূপে সেজেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অপরূপ ছায়াঘেরা সবুজ ক্যাম্পাসে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোনো গাছগুলো যেন চারদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে নবজীবনের এক বার্তা। কোথাও রক্তরাঙা ফুলে ছেয়ে গেছে ডালপালা, আবার কোথাও ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে আম ও লিচুগাছ।
৯ ঘণ্টা আগে
ম্রো জনগোষ্ঠীর কোনো মেয়ে এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি যেমন একটি বড় অপূর্ণতা ছিল, তেমনি ম্রো জনগোষ্ঠীর মেয়েদের জন্যও ছিল এক অপ্রাপ্তি। সেই অপ্রাপ্তি পূরণ করলেন য়াপাও ম্রো।
৯ ঘণ্টা আগে