
তামাকজাত পণ্যে উচ্চ করারোপ ও মূল্য নির্ধারণ করে বাস্তবায়ন করা গেলে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রায় ১৩ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে। আর দীর্ঘ মেয়াদে ৪ লাখ ৪৫ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৪ লাখ ৪৮ হাজার তরুণ জনগোষ্ঠীসহ প্রায় ৯ লাখ মানুষের অকালমৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।
গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি সংস্থা ‘প্রজ্ঞা’ আয়োজিত দেশব্যাপী ভার্চুয়াল মানববন্ধনে আজ রোববার সকালে এসব কথা বলেন বক্তারা। অংশগ্রহণকারীরা এ-সংক্রান্ত ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে ছবি তুলে ফেসবুকে #RaiseTaxSaveLivesBD হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আপলোড করেন। কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা দেয় ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস (সিটিএফকে)।
এ সময় বক্তারা তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন ২০২২-২৩ বাজেটে সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের মাধ্যমে সিগারেটসহ সব তামাকজাত পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানান।
তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর দাবি, আসন্ন বাজেটে নিম্নস্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করে ৩২ টাকা ৫০ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ, মধ্যম স্তরে খুচরা মূল্য ৭৫ টাকা নির্ধারণ করে ৪৮ টাকা ৭৫ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ, উচ্চ স্তরে খুচরা মূল্য ১২০ টাকা নির্ধারণ করে ৭৮ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ এবং প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৫০ টাকা নির্ধারণ করে ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করতে হবে। এই কর ও মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে প্রায় ১৩ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে প্রায় ৯ লাখ মানুষ অকালমৃত্যু থেকে বাঁচবে। এতে করে সরকারের অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ও হবে।
সংগঠনগুলো বলছে, ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১১ টাকা ২৫ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ, ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে ২৭ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক (৬০%) আরোপ এবং ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক (৬০%) আরোপ করতে হবে। এ ছাড়া বিড়ি, জর্দা ও গুলের মূল্য বৃদ্ধি করা হলে স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে এসব পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হবে।
প্রজ্ঞার (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের বলেন, সুনির্দিষ্ট করারোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের দাম বাড়িয়ে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং তামাক ব্যবহারজনিত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ পেতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপে ১০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরবর্তীকালে দ্রুততম সময়ে এ সংখ্যা ২৫ হাজারের বেশি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ১৭ জুন সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো মতামতে বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধান কার্যালয় ঢাকায় গেলে প্রশাসনিক, নীতিনির্ধারণী...
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ঘিরে দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া ব্যাখ্যাকে ‘সন্তোষজনক নয়’ অভিহিত করে ঘটনাটিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ...
১০ ঘণ্টা আগে
ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্টদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। আজ বুধবার বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) করা আপিল মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
১১ ঘণ্টা আগে