পর পর পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের শীর্ষ অবস্থানে আসন গেড়ে আছে ফিনল্যান্ড। আজ শুক্রবার জাতিসংঘের সৌজন্যে ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট নামে এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানও আগের চেয়ে কিছু ভালো হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
সুখের পরিমাপক হিসেবে, দেশটির সামাজিক সুযোগ-সুবিধা, সামাজিক উদারতা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপি, গড় আয়ু এবং দুর্নীতির মাত্রা বিষয়গুলোকে সামনে রাখা হয়। এদিকে এবার করোনা মহামারির আগে এবং পরে মানুষের আবেগ তুলনা করার জন্য সামাজিক মিডিয়া থেকে ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে। এবারের প্রতিবেদনটি রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার আগেই সম্পন্ন করা হয়। অ্যানালেটিক রিসার্চ গ্যালাপ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এবারে দশমবারের মতো হ্যাপিনেস রিপোর্ট প্রকাশিত হলো।
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্টে, বিশ্বের সবচেয়ে অসুখী দেশ হলো আফগানিস্তান। এরপরই রয়েছে লেবাননের অবস্থান। সুখী দেশের তালিকায় সার্বিয়া, বুলগেরিয়া এবং রোমানিয়ার উন্নতি হলেও লেবানন, ভেনেজুয়েলা এবং আফগানিস্তানের বড় পতন হয়েছে।
অর্থনৈতিক সংকটে ভোগা লেবানন ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ১৪৭ দেশের মধ্যে ১৪৬ নম্বরে রয়েছে। আর এ তালিকার তলানিতে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান। তালেবান ক্ষমতায় আসার পর দেশটিতে মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এই শীতে সহায়তা না পেলে পাঁচ বছরের কম ১০ লাখ শিশু আফগানিস্তানে মারা যেতে পারে।
এবারের সুখী দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে উত্তর ইউরোপের দেশগুলো। তালিকায় ফিনল্যান্ডের পরই আছে ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস। এই তালিকায় তিন ধাপ এগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অবস্থান এখন ১৬। আর যুক্তরাজ্যের অবস্থান ১৫। ফ্রান্সের অবস্থান সুখী দেশের তালিকায় ২০। বাংলাদেশ আছে তালিকার ৯৪ নম্বরে। সে হিসেবে
বাংলাদেশ র্যাংকিংয়ে সাত ধাপ এগিয়েছে। এদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থান ১৩৬ এবং পাকিস্তান ১২১।
প্রতিবেদনটির সহ-লেখক জেফরি শ্যাস বলেন, বছরের পর বছর ধরে ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্টের শিক্ষা হলো সামাজিক সমর্থন, একে অপরের প্রতি উদারতা এবং সরকারে সততার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়ে বিশ্ব নেতাদের সতর্ক হওয়া উচিত।

সংঘাতের অবসান নিয়ে দুপক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, সামরিকভাবে ইরান পরাজিত হয়েছে এবং তাদের প্রতিরক্ষাশিল্প, নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে চুক্তি করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, হরমুজ বর্তমানে উন্মুক্ত। অন্যদিকে, ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি এখনো পুরোপুরি খোলেনি এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার বা আগামী শুক্রবার নাগাদ ‘সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত’ আকারে খুলে দেওয়া হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা এই যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘ করা এবং সংকট সমাধানে চূড়ান্ত চুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যদিও ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা এখনো বহাল রয়েছে, তবু ট্রাম্প তাঁর পোস্টে দাবি করেছেন, সেখানে ‘শাসন পরিবর্তন’ হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
২ ঘণ্টা আগে