পাকিস্তানের আকাশে একটি রহস্যময় বস্তুর দেখা পেয়েছেন দেশটির একজন ব্যবসায়ী। আর্সলান ওয়ারাইচ নামের ব্যবসায়ী বলেন, তিনি তাঁর ড্রোন অবতরণের সময় ইসলামাবাদের ওপর অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তুটি দেখতে পান। এরই মধ্যে ইসলামাবাদে ঘটা ওই ঘটনার ১৩ মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়ারাইচ দুই ঘণ্টা ত্রিভুজ আকারের ইউএফওটিকে পর্যবেক্ষণ করেছেন। ৩৩ বছর বয়সী ওই ব্যবসায়ী বিভিন্নভাবে ইউএফওর ছবি তোলেন।
এ নিয়ে আর্সলান ওয়ারাইচ বলেন, আমি ১২ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এটির ভিডিও করেছি। কয়েক ডজন ছবি তুলেছি এবং দুই ঘণ্টা ধরে এটি পর্যবেক্ষণ করেছি।
রহস্যময় বস্তুর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ওয়ারাইচ বলেন, ‘খালি চোখে এটি একটি কালো বৃত্তাকার পাথরের মতো মনে হয়েছিল। কিন্তু আমি জুম ইন করার সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পেলাম এটি একটি ত্রিভুজ আকারের বস্তু।’
ভিডিওটি এরই মধ্যে ইউটিউবে হাজার হাজার ভিউ পেয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিররকে আর্সলান ওয়ারাইচ বলেন, ‘আমি জানি না এটা কী ছিল। তবে এটি পাখি ছিল না। আমি নিজে ড্রোন ওড়াই, তাই আমি জানি এটি বাণিজ্যিক ড্রোনও ছিল না।’
ইউএফও অব ইন্টারেস্ট নামে একটি টুইটার পেজ ফ্যাক্ট চেকিংয়ের মাধ্যমে জানিয়েছে, পাকিস্তানে দেখা ওই রহস্যময় বস্তু একটি ঘুড়ি ছিল।
একটি ইউএফও ও এলিয়েন তত্ত্ব নিয়ে ইন্টারনেটে আলোড়ন সৃষ্টির ঘটনা এটি প্রথম নয়। গত বছর একাধিক ব্যক্তি হাওয়াইজুড়ে একটি রহস্যময় নীল ইউএফও দেখার কথা জানিয়েছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় দেশটির মাটি ব্যবহার করতে দেবে না সরকার। দেশটির আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রিম আল হাশিমি এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও কুয়েতের পর এবার লেবাননের বৈরুতে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ। হামলার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানের হামলা থেমে নেই। বরং সামনে হামলা আরও জোরদার হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছে ইরানের প্রভাবশালী রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুন এক বৃহৎ শরণার্থী সংকট তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ)। সংস্থাটি বলছে, ইরানের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১০ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হলেও সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় শরণার্থী প্রবাহে পরিণত হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে