র্যাবের নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে ঢাকার চিঠি

র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন বছরের ছুটি শেষে আজকালের মধ্যেই যেন সেটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের দপ্তরে পৌঁছায় এমনভাবেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র।
আজ রোববার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন চিঠির বিষয়ে ফোনে আজকের পত্রিকাকে জানান, র্যাবের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেই চিঠি দেওয়া হয়েছে মার্কিন মন্ত্রীকে।
মন্ত্রী বলেন, যদিও নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টি দুঃখজনক, তবু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং সার্বিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটার বিষয়ও তুলে ধরেছেন চিঠিতে। এ সময় তিনি বলেন, বাহিনীটির বিরুদ্ধে দু-একটা অভিযোগ আছে। সেগুলোরও তদন্ত চলছে।
র্যাবের কারণে দেশে জঙ্গি দমন হয়েছে। সন্ত্রাসীরা নির্মূল হয়েছে, মানুষ শান্তিতে আছে—এসব বিষয়ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এর আগে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর দমন, নিপীড়ন ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তিন দেশের ১৫ সরকারি কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় (ওএফএসি)। এ তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) বর্তমান ও সাবেক ছয় কর্মকর্তা।
গত শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর, ২০২১) প্রকাশিত ওএফএসির এই তালিকায় থাকা বাংলাদেশি কর্মকর্তারা হলেন—র্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক খান মোহাম্মদ আজাদ, সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক তোফায়েল মুস্তাফা সারওয়ার, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার লতিফ খান।

র্যাবের বর্তমান ও সাবেক ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে মার্কিন ‘লিহে’ আইনে সম্মতিতে আরও সময় চায় ঢাকা







