মারা যাওয়ার আগে আমাদের দুই বোনের নামে পেনশন নমিনি লিখে দিয়েছিলেন বাবা। আইন অনুযায়ী সন্তানদের পেনশন ১৫ বছর পর্যন্ত দেওয়া হয়। কিন্তু সন্তানদের বিবাহ হলে পেনশন পাওয়ার অধিকার থাকে না। দুই বোনের বিবাহ হয়ে গেলে কি পেনশন মায়ের নামে ট্রান্সফার করা যাবে? সে ক্ষেত্রে মা কি সারা জীবন পেনশন পাবেন?
মরিয়ম হাবিব, চুয়াডাঙ্গা
নমিনি হিসেবে মেয়েরা থাকলে সরকারি বা বেসরকারি পেনশন স্কিম অনুযায়ী, অবিবাহিত বা অপ্রাপ্তবয়স্ক (সাধারণত ১৮ বা ২৫ বছর পর্যন্ত) মেয়ে বা ছেলেরা পেনশন পেয়ে থাকে।
বিবাহ হয়ে গেলে মেয়ে বা ছেলেরা আর পরিবারের পেনশনের দাবিদার থাকে না। কিছু ক্ষেত্রে শুধু অবিবাহিত মেয়ে বা প্রতিবন্ধী সন্তানেরা সারা জীবন পেনশন পেতে পারে। স্ত্রী জীবিত থাকলে স্বামীর প্রথম অধিকার থাকে স্ত্রীর ওপর। অর্থাৎ স্ত্রীরা সাধারণত আজীবন পেনশন পাওয়ার অধিকারী। যদি আপনার বাবা মৃত্যুর আগে নমিনি পরিবর্তন করে কেবল মেয়েদের নাম দিয়ে থাকেন, তবু আইনের দৃষ্টিতে ‘এলিজিবল ফ্যামিলি মেম্বার’ হিসেবে মায়ের অধিকার মেয়েদের ওপরে।
মেয়েদের যখন বিবাহ হয়ে যাবে, তখন তাদের পেনশনের অধিকার শেষ হবে। পেনশন মায়ের নামে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। সাধারণত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, আপনার মা যত দিন বেঁচে থাকবেন, তত দিন পরিবারের সদস্য হিসেবে পেনশন পাবেন। তবে কিছু স্কিমে ‘ফুল পেনশন’ অর্থাৎ, যত দিন না পুনর্বিবাহ করছেন এবং ‘এনহেন্সড পেনশন’ অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু বছর পর্যন্ত পেনশনের আলাদা ধাপ থাকতে পারে।
আপনারা যে অফিস বা বিভাগ থেকে পেনশন পাচ্ছেন (যেমন সরকারি কর্মচারী হলে ট্রেজারি বা এজি অফিস, ব্যাংক কর্মচারী হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক) সেখানে যোগাযোগ করুন। তারা পেনশনের নিয়ম অনুসারে লিখিতভাবে জানাবে, কে বর্তমানে সুবিধাভোগী হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন: ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন,অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা এক দুরন্ত মেয়ের নাম হামিদ আক্তার জেবা। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলা ছিল তাঁর নেশা। সেই নেশা একসময় তাঁকে নিয়ে যায় ম্যারাথনের কঠিন পথে। বাবা-মা, ভাই ও ভাবির সঙ্গে তিনি ঢাকায় বসবাস করেন। খেলাধুলাপ্রিয় বাবার অনুপ্রেরণায় জেবার এই পথচলা।
৪ দিন আগে
আমার ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। আমাদের বাবা নেই। মা, আমি আর ভাই থাকি। খুব সম্প্রতি মায়ের গায়ে হাত তুলেছে ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে সে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিল কয়েকবার। আমরা তার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য তাদের বাসায় দাওয়াত করি।
৫ দিন আগে
যুদ্ধের বীভৎসতা যতই থাক, বছর ঘুরে আসে ঈদ। এটি শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং বিশ্বাস, সংস্কৃতি আর শিকড়ের টানে ফেরার এক পরম মুহূর্ত। কিন্তু এ বছরের ঈদুল ফিতরে বিশ্বজুড়ে একই সুর বাজেনি। কোথাও বেজেছে পুনর্মিলনের আনন্দগান, আবার কোথাও রণক্ষেত্রের আর্তনাদ।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং সংগীতজগতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি সন্জীদা খাতুন। ১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৯১ বছর বয়সে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তিনি মারা যান। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।
৫ দিন আগে