এ বছরের আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবসের মূল ভাবনা ‘প্রকৃতি রক্ষায় গ্রামীণ নারী কৃষক’। বীজ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, পানি ব্যবস্থাপনা ও মাটি পুনরুদ্ধারে প্রতিদিন গ্রামীণ নারীরা যে ভূমিকা রাখছেন, তা স্মরণীয় করে রাখতেই এই আয়োজন। শুধু খাদ্য সংস্থান নয়, আমাদের অস্তিত্বের মূল প্রাকৃতিক সম্পদগুলো তাঁরা পরম মমতায় আগলে রাখেন। তবে তাঁদের এই বিপুল অবদানের তুলনায় অধিকার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা খুব কম। এ কারণে টেকসই ভবিষ্যতের জন্য কিছু বিষয় নজরে রাখা প্রয়োজন।
চলতি নারী কৃষক বর্ষ এবং জাতিসংঘের জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য ও মরুকরণবিষয়ক কনভেনশনগুলোর বৈঠক গ্রামীণ নারীদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে মূল্যায়নের বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। কৃষি নীতি নির্ধারণ ও জলবায়ু বাজেটে তাঁদের কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। জাতিসংঘ নারী সংস্থা বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, গ্রামীণ নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাধাগুলো দূর করে সরাসরি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। খাদ্য ও প্রকৃতি রক্ষায় তাঁদের যতখানি অবদান, সমাজ ও রাষ্ট্রে তাঁদের ক্ষমতার ভারসাম্যও ততখানি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: ইউএন উইমেন

ক্রিস্টা ও তাঁর প্রেমিক তাদারিল শিপ মিলে টেনেসির নক্সভিলে স্লেমারকে যেভাবে হত্যা করেন, সেটা ছিল যথেষ্ট নৃশংস। স্লেমারের বুকে খোদাই করা একটি উল্টো ‘পেন্টাগ্রাম’ বা শয়তান উপাসকদের প্রতীক পাওয়া যায়। সাজা ঘোষণার সময় বিচারক হয়তো এই নৃশংসতার কথাই স্মরণে রেখেছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সময় ক্রিস্টা পাইকের প্রেমিকে
৪১ মিনিট আগে
প্রশ্ন: আমি খালার সঙ্গে ঢাকায় থাকতাম। ছয় মাস আগে খালা একটি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বর্তমানে একটা হোস্টেলে অন্যান্য মেয়ের সঙ্গে থাকি। সারা দিন ক্লাস করে রুমে এসে খাবার বানাই। আমার সারা দিনের জীবন একটা নির্দিষ্ট ছকে চলে। কিন্তু নিজেকে ওই দুর্ঘটনার পরের দিনগুলো থেকে বের করতে পারছি না। খালা আমাকে আগলে
২ ঘণ্টা আগে
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচারের আন্দোলনে নারীরা প্রায়ই সামনের সারিতে থাকেন। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংবিধান প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ ও নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণ অনেক ক্ষেত্রেই সীমিত থাকে। রাজনৈতিক রূপান্তরে নেতৃত্ব দিলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায় থেকে নারীরা
১১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতিতে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন নারী সংসদ সদস্যরা। তাঁরা বলেছেন, আরপিওতে (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) রাজনৈতিক দলগুলোতে নারীর ৩৩ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না।
২ দিন আগে