অ্যাবিগেল স্কট ডুনিওয়ে ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান নারী অধিকারকর্মী, সম্পাদক ও লেখক। তিনি ওরেগনের মাল্টনোমাহ কাউন্টিতে প্রথম নারী ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ২০টির বেশি উপন্যাস লিখেছিলেন।
পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন অ্যাবিগেল। একজন নারী হিসেবে নিজের কঠোর অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস জন্মে যে নারীদের আরও বেশি আইনি ও অর্থনৈতিক অধিকার জরুরি। ফলে নারীদের ভোটাধিকারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। ১৮৭১ সালে তিনি ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে এসে সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘দ্য নিউ নর্থওয়েস্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিল নারী অধিকার ও ভোটাধিকার প্রচারের জন্য নিবেদিত পত্রিকা। তিনি এটি ১৬ বছর ধরে প্রকাশ করেন। অ্যাবিগেল ‘নীরব শিকার’ বা ‘স্টিল হান্ট’ নামক একটি কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। সেই কৌশলে তিনি পুরুষ ভোটারদের উত্তেজিত না করে বা মদ্যপান নিষিদ্ধকরণের আন্দোলনের সঙ্গে ভোটাধিকার আন্দোলনকে না জড়িয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চুপিসারে ভোটাধিকারের পক্ষে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন।
অ্যাবিগেল চার দশকের বেশি সময় ধরে এই অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছিলেন। তাঁর প্রচেষ্টায় ১৮৯৬ সালে আইডাহো ও ১৯১০ সালে ওয়াশিংটনে নারীদের ভোটাধিকার দেওয়া হয়। ১৯১২ সালে তাঁর নিজের রাজ্য ওরেগনেও ভোটাধিকার দেওয়া হয়। ভোটাধিকার সংশোধনী পাস হওয়ার পর গভর্নর অসওয়াল্ড ওয়েস্ট ৭৯ বছর বয়সী অ্যাবিগেলকে ডেকে ওরেগনের আনুষ্ঠানিক ভোটাধিকার ঘোষণাপত্র লেখার এবং স্বাক্ষর করার অনুরোধ করেন। ১৯১৫ সালের ১১ অক্টোবর অ্যাবিগেল স্কট ডুনিওয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

৪ জুন ১৮১৭ সাল। পাগলাগারদের নিঃসঙ্গ, নির্জন শীতল কুঠুরিতে মারা গেছেন একজন নারী। যৌবনে তাঁকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাঁর আর বাড়ি ফেরা হয়নি। কেউ তাঁর জন্য অপেক্ষা করে থাকেনি। প্যারিসের সালপেত্রিয়ের এক মানসিক হাসপাতালে জীবনের ২৩টি বসন্ত অবরুদ্ধ থাকার পর মৃত্যুবরণ করলেন ৫৪ বছরের নারী থেরোইন....
৬ দিন আগে
বছরের প্রথম ছয় মাসে ঘরে-বাইরে, লোকচক্ষুর অন্তরালে কিংবা প্রকাশ্য রাজপথে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ভঙ্গুর ছিল। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য বিশ্লেষণ করলে এই ভয়ংকর চিত্র ফুটে ওঠে।
৬ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম আঙ্গারপাড়া গ্রামের খোদেজা আক্তার সুমা ও ইসমাইল হোসেন দম্পতির প্রথম সন্তান ফাতেমা ইসমাঈল কেয়া। ছোটবেলায় কেয়ার বই পড়ার নেশাটা ধরিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর মা। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বানান শেখার জন্য মা তাঁকে অন্যান্য বই পড়তে দিতেন। আর কেয়া তা বানান করে করে পড়তেন।
৬ দিন আগে
সেসিল ব্রুনস্বিক ছিলেন বিশ শতকের প্রথম দিকের ফরাসি নারীবাদী কর্মী। তিনি নারীদের ভোটাধিকার আদায় আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন। পাশাপাশি তিনি নারীদের সমান বেতন, শিক্ষার সুযোগ, কর্মসংস্থানের জন্যও আন্দোলন করেন। ফ্রান্সের জাতীয় শিক্ষাবিষয়ক উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
৬ দিন আগে