ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন

আমার মা নানার একমাত্র মেয়ে। তিনি নানার আগে মারা যান। আমরা দুই বোন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি আমাদের নানার সম্পত্তি পাব? নানি এখনো জীবিত আছেন।
উত্তর: আপনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি হলো—
আপনার মা ছিলেন আপনার নানার একমাত্র কন্যা। কিন্তু তিনি নানার আগে ইন্তেকাল করেছেন। আপনার নানি জীবিত আছেন এবং আপনারা দুই বোন। আপনার নানা কোনো ভাইবোন রেখে গেছেন কি না, তা বলেননি।
সাধারণ শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান (নাতনি) নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ধারা ৪ অনুযায়ী ‘প্রতিনিধিত্বের নীতি’ কার্যকর।
এই নীতি অনুযায়ী, যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
এই আইনের আলোকে বণ্টন হবে,নানার স্ত্রী (নানি): মৃত ব্যক্তির সন্তান বা সন্তানের সন্তান থাকলে নানার স্ত্রী পাবে ১/৮ (০.১২৫) অংশ।
মৃত কন্যার সন্তান (আপনারা দুই বোন): আপনার মা জীবিত থাকলে তিনি একমাত্র কন্যা হিসেবে অবশিষ্ট সম্পত্তির মালিক হতেন।
আইনের প্রতিনিধিত্ব নীতি অনুযায়ী, সেই অংশটি আপনারা দুই বোন সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।
মোট অংশ = ৭/৮
প্রতি কন্যা পাবে = ০.৪৩৭৫ অংশ করে
চূড়ান্ত বণ্টন:
বাংলাদেশে প্রযোজ্য ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আপনারা দুই
বোন আইনগতভাবে নানার সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী। যদিও শরিয়তের প্রচলিত ফারায়েজে
তা প্রযোজ্য নয়।
আইনগত প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনে পারিবারিক আদালত বা আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।
এ ছাড়া নিচের লিংকে গিয়ে উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরে আপনি সহজে উত্তরাধিকার হিসেবে কে কত অংশ পাবেন, তা জেনে নিতে পারবেন।
https:/ /uttoradhikar.gov.bd/

আমার মা নানার একমাত্র মেয়ে। তিনি নানার আগে মারা যান। আমরা দুই বোন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি আমাদের নানার সম্পত্তি পাব? নানি এখনো জীবিত আছেন।
উত্তর: আপনার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি হলো—
আপনার মা ছিলেন আপনার নানার একমাত্র কন্যা। কিন্তু তিনি নানার আগে ইন্তেকাল করেছেন। আপনার নানি জীবিত আছেন এবং আপনারা দুই বোন। আপনার নানা কোনো ভাইবোন রেখে গেছেন কি না, তা বলেননি।
সাধারণ শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান (নাতনি) নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ধারা ৪ অনুযায়ী ‘প্রতিনিধিত্বের নীতি’ কার্যকর।
এই নীতি অনুযায়ী, যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
এই আইনের আলোকে বণ্টন হবে,নানার স্ত্রী (নানি): মৃত ব্যক্তির সন্তান বা সন্তানের সন্তান থাকলে নানার স্ত্রী পাবে ১/৮ (০.১২৫) অংশ।
মৃত কন্যার সন্তান (আপনারা দুই বোন): আপনার মা জীবিত থাকলে তিনি একমাত্র কন্যা হিসেবে অবশিষ্ট সম্পত্তির মালিক হতেন।
আইনের প্রতিনিধিত্ব নীতি অনুযায়ী, সেই অংশটি আপনারা দুই বোন সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।
মোট অংশ = ৭/৮
প্রতি কন্যা পাবে = ০.৪৩৭৫ অংশ করে
চূড়ান্ত বণ্টন:
বাংলাদেশে প্রযোজ্য ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আপনারা দুই
বোন আইনগতভাবে নানার সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী। যদিও শরিয়তের প্রচলিত ফারায়েজে
তা প্রযোজ্য নয়।
আইনগত প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনে পারিবারিক আদালত বা আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।
এ ছাড়া নিচের লিংকে গিয়ে উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরে আপনি সহজে উত্তরাধিকার হিসেবে কে কত অংশ পাবেন, তা জেনে নিতে পারবেন।
https:/ /uttoradhikar.gov.bd/

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
১ দিন আগে
খেমাররুজ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য না থেকেও থিরিথ ছিলেন পার্টির প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী। পল পটের শাসনামলে কাম্পুচিয়ায় সংঘটিত হয় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ফলে দেশটির প্রায় ২০ লাখ মানুষ অনাহারে, চিকিৎসার অভাবে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে...
১ দিন আগে
আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
৮ দিন আগে
বই মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে— এই সত্য স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে নূজহাত নাছিম দিয়ার জীবনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি শান্ত, বইপ্রেমী পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন দিয়া। পরিবারে মা-বাবা ও দুই ভাই সব সময় তাঁকে পড়াশোনা এবং সাহিত্যচর্চায় উৎসাহ দিয়ে এসেছেন।
৮ দিন আগে