
থাইল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় চনবুরি প্রদেশে গত সোমবার (৬ অক্টোবর) শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জল-মহিষ উৎসব। শতাধিক বছরের পুরোনো এই উৎসবের লক্ষ্য হলো—মহিষদের সম্মান জানানো ও কৃষিক্ষেত্রে তাঁদের বিলুপ্তি রোধ করা। যন্ত্রচালিত কৃষিকাজে ট্রাক্টরের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে বর্তমানে মহিষের অবদান অনেকটাই কমে গেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, চনবুরির এই জল-মহিষ দৌড় উৎসবের ইতিহাস দেড় শ বছরের পুরোনো। নির্ধারিত স্থানে ফুলের মালা ও সাজসজ্জায় সজ্জিত মহিষদের সঙ্গে অংশ নেয় অসংখ্য স্থানীয় মানুষ। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত মহিষ-আরোহীদের দেখতেও ভিড় জমে পর্যটকদের।
রাজধানী ব্যাংকক থেকে ঘণ্টাখানেক দূরের এই উৎসব এখন শুধু বিনোদন নয়, বরং থাই সংস্কৃতির একটি জীবন্ত ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘কোয়াই’ নামে পরিচিত থাই জল-মহিষ অতীতে ছিল কৃষকের শক্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। কিন্তু যান্ত্রিক চাষাবাদের ফলে এদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। তাই সরকার ও স্থানীয় কৃষকেরা এখন সংরক্ষণ ও প্রজনন কর্মসূচির মাধ্যমে মহিষ রক্ষায় সচেষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক থাওয়াচাই ডেং-এনগামের পরিবার ৩০টি মহিষ পালন করে। তিনি বলেন, ‘মহিষ মাঠে কাজ করতে পারলেও তারা যন্ত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে না। তারপরও মহিষ আমাদের পরিবারের মতো। মানুষ মহিষ লালন করে, আর মহিষ মানুষকে বাঁচায়।’
ডেং-এনগামের পাঁচ বছর বয়সী কালো মহিষ ‘টড’ এই বছর প্রথমবারের মতো সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে এবং সবার মন জয় করেছে। মূলত মহিষের শিং, খুর ও দেহের গঠন দেখেই বিচারকেরা তার সৌন্দর্য বিচার করেন।
এখন মহিষ শুধু কৃষিকাজে নয়, উৎসব ও প্রদর্শনীর প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই উৎসবে থাকে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, ফুলে সাজানো মহিষের শোভাযাত্রা এবং ১০০ মিটারের দৌড় প্রতিযোগিতা। চনবুরির পশুপালন কেন্দ্রের সহকারী কর্মকর্তা পাপাদা স্রিসোফন বলেন, ‘প্রতি বছর উৎসব বড় হচ্ছে। এই আয়োজন না থাকলে কৃষকেরা মহিষ পালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।’
উল্লেখ্য, থাই সরকার ২০১৭ সাল থেকে প্রতিবছর ‘১৪ মে’ দিনটিকে ‘থাই মহিষ সংরক্ষণ দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।

নিজেকে এই প্রজন্মের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচয় দেন ব্রাজিলের ৩৯ বছর বয়সী মিস্টিক অ্যাথোস সালোমে। তাঁর দাবি অনুযায়ী—২০২৬ সাল নিয়ে করা তাঁর দুটি বড় ভবিষ্যদ্বাণী ইতিমধ্যে সত্যি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, চলতি বছর আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিরিয়ানির কথা শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। তবে ভোজনরসিকদের কাছে এটি অন্যরকম আবেগের। আর সেই প্রিয় খাবারই যদি আজীবন বিনা মূল্যে খাওয়ার সুযোগ মেলে তাহলে কেমন হয়! এমনই সুযোগ পেয়েছেন কলকাতার প্রমিত কুমার দাস। তবে এই সুযোগ পেতে তাঁকে অংশ নিতে হয়েছে এক প্রতিযোগিতায়। যেখানে তিনি ৪৫ মিনিটে সাবাড় করেছেন পাঁ
২ দিন আগে

বিয়েতে বর-কনে কিংবা অতিথিদের সাজগোজ নিয়ে চর্চা হওয়া স্বাভাবিক। তবে ভারতের কেরালা রাজ্যের চাঙ্গানাসেরিতে আয়োজিত একটি বিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একেবারেই ভিন্ন এক কারণে। বিয়েটিতে মূল ভূমিকায় থাকা প্রায় প্রতিটি মানুষই ছিলেন যমজ গত বৃহস্পতিবার চাঙ্গানাসেরির মেট্রোপলিটন চার্চে ব্যতিক্রমী...
৩ দিন আগে