আজকের পত্রিকা ডেস্ক

২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শহীদ কাপুর ও কারিনা কাপুর অভিনীত সিনেমা ‘জাব উই মেট’ গল্প, পরিচালনা এবং অভিনয়ের জন্য দর্শকদের মন জয় করেছিল। প্রায় ১৮ বছর পর ভারতের ইন্দোর শহরে সেই সিনেমার কাহিনির সঙ্গে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। শ্রদ্ধা তিওয়ারি নামে এক তরুণী প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন। কিন্তু এক সপ্তাহ পর অন্য এক পুরুষের স্ত্রী হিসেবে বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি!
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৩ আগস্ট এমআইজি থানার এলাকার বাসিন্দা শ্রদ্ধা বাড়ি ছেড়েছিলেন স্বার্থককে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু রেলস্টেশনে স্বার্থক আসেননি। পরে ফোনকলে জানিয়ে দেন, তিনি বিয়ে করতে চান না। হৃদয় ভেঙে যাওয়া শ্রদ্ধা কোনো গন্তব্য ছাড়াই একটি ট্রেনে উঠে পড়েন। কয়েক ঘণ্টা পর, তিনি রতলমে নেমে পড়েন। ‘জাব উই মেট’ সিনেমার সুবাদে বিখ্যাত হয়েছে স্টেশন। শ্রদ্ধা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন।
রতলম স্টেশনেই শ্রদ্ধার দেখা হয় করণদীপের সঙ্গে। একই কলেজের ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন করণদীপ। শ্রদ্ধাকে একা বসে থাকতে দেখে করণদীপ কাছে এগিয়ে যান এবং কী ঘটেছে জানতে চান। সব কথা শোনার পর করণদীপ তাঁকে বাড়িতে ফিরে গিয়ে বাবা-মাকে সব জানানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু শ্রদ্ধার জিদ চেপে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি বিয়ে করার জন্য বাড়ি ছেড়েছিলাম। যদি অবিবাহিত অবস্থায় ফিরে যাই, তাহলে বাঁচতে পারব না।’ করণদীপ বারবার বোঝানোর চেষ্টা সত্ত্বেও শ্রদ্ধা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শেষ পর্যন্ত, করণদীপ তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। শ্রদ্ধা সঙ্গে সঙ্গে তাতে রাজি হোন।
এরপর শ্রদ্ধা ও করণদীপ মহেশ্বর-মন্ডলেশ্বর চলে যান। সেখানে তাঁরা বিয়ে করেন। সেখান থেকে একসঙ্গে যান মান্দসৌর।
এদিকে, শ্রদ্ধার বাবা অনিল তিওয়ারি দিশেহারা হয়ে মেয়েকে খুঁজতে থাকেন। মেয়ের খোঁজ দিতে পারলে ৫১ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণা করে বিজ্ঞাপন দেন। এমনকি তিনি বাড়ির বাইরে মেয়ের ছবি উল্টো করে ঝুলিয়ে দেন, যাতে পথচারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়।
গত বৃহস্পতিবার শ্রদ্ধা বাবাকে ফোন করে জানান, তিনি মান্দসৌরে নিরাপদেই আছেন। স্বস্তি পেয়ে বাবা তাঁকে রাতে একটি হোটেলে থাকতে এবং পরের দিন সকালে বাড়িতে ফিরে আসতে বলেন। কিন্তু কয়েকটি হোটেল তাঁদের রুম দিতে অস্বীকার করলে, তিনি করণদীপকে ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য পাঠান। শহরে ফিরে, শ্রদ্ধা ও করণদীপ এমআইজি থানায় যান। সেখানে শ্রদ্ধা তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
ইন্দোরের অতিরিক্ত ডিসিপি রাজেশ ডান্ডোটিয়া সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, শ্রদ্ধা এবং করণদীপ উভয়কেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অনিল তিওয়ারি জানান, তাঁর মেয়েকে ফিরে পেয়ে তিনি স্বস্তিবোধ করছেন। তবে পরিবার শ্রদ্ধা এবং করণদীপকে ১০ দিনের জন্য আলাদা রাখবে। যদি এরপরও শ্রদ্ধা করণদীপের সঙ্গে থাকতে চান, তাহলে পরিবার এই বিয়ে মেনে নেবে বলে জানান অনিল।

২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শহীদ কাপুর ও কারিনা কাপুর অভিনীত সিনেমা ‘জাব উই মেট’ গল্প, পরিচালনা এবং অভিনয়ের জন্য দর্শকদের মন জয় করেছিল। প্রায় ১৮ বছর পর ভারতের ইন্দোর শহরে সেই সিনেমার কাহিনির সঙ্গে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। শ্রদ্ধা তিওয়ারি নামে এক তরুণী প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন। কিন্তু এক সপ্তাহ পর অন্য এক পুরুষের স্ত্রী হিসেবে বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি!
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৩ আগস্ট এমআইজি থানার এলাকার বাসিন্দা শ্রদ্ধা বাড়ি ছেড়েছিলেন স্বার্থককে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু রেলস্টেশনে স্বার্থক আসেননি। পরে ফোনকলে জানিয়ে দেন, তিনি বিয়ে করতে চান না। হৃদয় ভেঙে যাওয়া শ্রদ্ধা কোনো গন্তব্য ছাড়াই একটি ট্রেনে উঠে পড়েন। কয়েক ঘণ্টা পর, তিনি রতলমে নেমে পড়েন। ‘জাব উই মেট’ সিনেমার সুবাদে বিখ্যাত হয়েছে স্টেশন। শ্রদ্ধা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন।
রতলম স্টেশনেই শ্রদ্ধার দেখা হয় করণদীপের সঙ্গে। একই কলেজের ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন করণদীপ। শ্রদ্ধাকে একা বসে থাকতে দেখে করণদীপ কাছে এগিয়ে যান এবং কী ঘটেছে জানতে চান। সব কথা শোনার পর করণদীপ তাঁকে বাড়িতে ফিরে গিয়ে বাবা-মাকে সব জানানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু শ্রদ্ধার জিদ চেপে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি বিয়ে করার জন্য বাড়ি ছেড়েছিলাম। যদি অবিবাহিত অবস্থায় ফিরে যাই, তাহলে বাঁচতে পারব না।’ করণদীপ বারবার বোঝানোর চেষ্টা সত্ত্বেও শ্রদ্ধা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শেষ পর্যন্ত, করণদীপ তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। শ্রদ্ধা সঙ্গে সঙ্গে তাতে রাজি হোন।
এরপর শ্রদ্ধা ও করণদীপ মহেশ্বর-মন্ডলেশ্বর চলে যান। সেখানে তাঁরা বিয়ে করেন। সেখান থেকে একসঙ্গে যান মান্দসৌর।
এদিকে, শ্রদ্ধার বাবা অনিল তিওয়ারি দিশেহারা হয়ে মেয়েকে খুঁজতে থাকেন। মেয়ের খোঁজ দিতে পারলে ৫১ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণা করে বিজ্ঞাপন দেন। এমনকি তিনি বাড়ির বাইরে মেয়ের ছবি উল্টো করে ঝুলিয়ে দেন, যাতে পথচারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়।
গত বৃহস্পতিবার শ্রদ্ধা বাবাকে ফোন করে জানান, তিনি মান্দসৌরে নিরাপদেই আছেন। স্বস্তি পেয়ে বাবা তাঁকে রাতে একটি হোটেলে থাকতে এবং পরের দিন সকালে বাড়িতে ফিরে আসতে বলেন। কিন্তু কয়েকটি হোটেল তাঁদের রুম দিতে অস্বীকার করলে, তিনি করণদীপকে ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য পাঠান। শহরে ফিরে, শ্রদ্ধা ও করণদীপ এমআইজি থানায় যান। সেখানে শ্রদ্ধা তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
ইন্দোরের অতিরিক্ত ডিসিপি রাজেশ ডান্ডোটিয়া সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, শ্রদ্ধা এবং করণদীপ উভয়কেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অনিল তিওয়ারি জানান, তাঁর মেয়েকে ফিরে পেয়ে তিনি স্বস্তিবোধ করছেন। তবে পরিবার শ্রদ্ধা এবং করণদীপকে ১০ দিনের জন্য আলাদা রাখবে। যদি এরপরও শ্রদ্ধা করণদীপের সঙ্গে থাকতে চান, তাহলে পরিবার এই বিয়ে মেনে নেবে বলে জানান অনিল।

চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে...
২ দিন আগে
নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে
২ দিন আগে
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
৯ দিন আগে
বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
৯ দিন আগে