একটুর জন্য গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হাত ফসকে গেল! তবে উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বড় মিষ্টিকুমড়া ফলানোর রেকর্ডটা এখন তাঁর ঝুলিতে।
গত ২ অক্টোবর নিউইয়র্কের কৃষক স্কট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ব ওজনদার কুমড়া প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছেন। উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বড় কুমড়াটি ফলেছে তাঁর খামারে। কুমড়াটি ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রদর্শন করা হবে। ৬৩ বছর বয়সী এ কৃষকের খামারে উৎপাদিত কুমড়াটির ওজন ১ হাজার ১৫৮ কেজি। মেলায় তিনি সেরা কুমড়া খামারি হয়ে ৫ হাজার ৫০০ ডলারের পুরস্কার জিতেছেন।
এ বিজয়ের অনুভূতি প্রকাশে স্কট অ্যান্ড্রুজ বলেন, ‘এমন আকারের কুমড়া পাওয়ার জন্য যত বেশি ভালো সার-গোবর আপনার ভাবনায় আসে তা দিতে হবে। সব ধরনের সার, কেলপ (সামুদ্রিক শৈবাল), কেঁচোসার, মুরগির বিষ্ঠা এবং প্রচুর পানি দিতে হবে। মাটি শুকে গেলেই পানি ঢালতে হবে।’
গ্রেট পামকিন ফার্মের প্রকাশনা কর্তৃপক্ষকে স্কট অ্যান্ড্রুজ বলেছেন, পুরস্কারের সাড়ে ৫ হাজার ডলার দিয়ে আগামী বছরের প্রতিযোগিতায় জেতার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করবেন।
এই কুমড়া ফলাতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের কথা বলতে গিয়ে অ্যান্ড্রুজ বলেন, ‘সবচেয়ে কঠিন কাজটি ছিল বিড়াল এবং রেকুন থেকে কুমড়াকে রক্ষা করা। সমস্ত পশু-পাখির আকর্ষণের কেন্দ্রে যেন ওই কুমড়া! সবাই এটিকে খেতে চায়। বিড়াল গিয়ে আঁচড়াতে চেষ্টা করে, তারা মনে করে এটা একটা বিশাল পালঙ্ক!’
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভাঙতে পারেননি স্কট অ্যান্ড্রুজ, অবশ্য কাছাকাছি ছিলেন। এখন সবচেয়ে বড় মিষ্টি কুমড়ার রেকর্ডটি এক ইতালীয় কৃষকের দখলে। তাঁর কুমড়ার ওজন ছিল ১ হাজার ২২৫ কেজি।

ভারতের উত্তর প্রদেশে অবিশ্বাস্য এক ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকদের কাছে ‘ব্রেন ডেড’ ঘোষিত এক নারী অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় হঠাৎ আবার শ্বাস নিতে শুরু করেছেন। পরিবারের সদস্যরা এটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
ওমানে আয়োজিত ২০২৬ সালের ‘ক্যামেল বিউটি শো ফেস্টিভ্যাল’-এ কৃত্রিমভাবে সৌন্দর্য বাড়ানোর অভিযোগে ২০টি উটকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। উটের কুঁজ ও মুখমণ্ডলের শ্রী বাড়াতে বোটক্স ইনজেকশন, সিলিকন ওয়াক্স এবং ফিলার ব্যবহার করার প্রমাণ পাওয়ায় আয়োজক কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২ দিন আগে
সিসিটিভি ক্যামেরার চোখ ফাঁকি দিয়ে রাস্তার ধারে ময়লা ফেলতে পোষা কুকুরকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মালিকের বিরুদ্ধে। ইতালির সিসিলি দ্বীপের কাতানিয়া শহরের সান জর্জিও জেলায় এই অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে। এ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনে চলছে তোলপাড়, আলোচনায় মজেছে নেটিজেনরা।
১৩ দিন আগে
একসময় সাম্রাজ্যের লোকজন গর্ব করে বলত, তাদের সাম্রাজ্যে সূর্য কখনো অস্ত যায় না। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের ছোট শহর শেহোরের এক ভুলে যাওয়া কাগজ যেন অন্য গল্প বলে। সেখানে ইঙ্গিত আছে, সেই শক্তিশালী সাম্রাজ্যকেও একসময় ভোরের আলো দেখতে এক স্থানীয় ধনী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঋণ নিতে হয়েছিল।
১৪ দিন আগে