মিডল ইস্ট আই–এর নিবন্ধ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত ১৭ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর আশাবাদের আবহ তৈরি হয়। উদ্দেশ্য ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা নির্ধারণ করা।

তৃতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধে শনিবার ভোরে প্রথম আঘাত উদযাপন করে ইসরায়েলিরা ও ইরানি প্রবাসীদের একটি অংশ উদযাপন করে। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের আরও কয়েক ডজন শীর্ষ নেতা নিহত হন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে সংঘাত যখন এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে, তখন বিশ্বের রাজধানীগুলো, সংবাদকক্ষ ও নীতিনির্ধারণী মহলে একটি গুরুতর প্রশ্ন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—চীন কি ইরানকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবে? আর যদি আসে, সেই সহায়তার রূপই বা কেমন হবে?

মধ্যপ্রাচ্যের মানুষকে যখন নিজেদের কথা খোলাখুলি বলার সুযোগ দেওয়া হয়, তখন ইসরায়েল, এবং দেশটিকে ঘিরে থাকা পশ্চিমা ঐকমত্য সম্পর্কে একেবারেই ভিন্ন এক চিত্র সামনে আসে। সম্পর্ক ‘স্বাভাবিকীকরণ’ বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিসে’ সদস্যপদ—এসব আসলে একধরনের ফাঁকা বুলি মাত্র।