
দাবি করা হচ্ছে, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নিরাপত্তা জোরদার করতে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-এর সহায়তা চেয়েছিল তুরস্ক। তবে এই বিষয়টি অস্বীকার করে আঙ্কারা জানিয়েছে, তাদের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এমআইটি) এই ধরনের কোনো অনুরোধ করেনি।

ওয়াশিংটন থেকে কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, এই আক্রমণের প্রকৃত নকশাকার আসলে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনে বসে নেই। এই পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে বহু দশক আগে তেল আবিবে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার পরদিন রোববার কার্যত সেটিই স্বীকার করেছেন। তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন, ‘এই যৌথ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আজ শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের একাধিক শহরে বোমাবর্ষণ করার পর তেহরানও পাল্টা জবাব দিয়েছে। ইরান থেকে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৯টি সামরিক স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি স্থায়ী ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত। বাহরাইন, মিসর, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।