মুক্তিযুদ্ধ

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও কেন মুক্তিযোদ্ধার দরখাস্ত নেওয়া হবে, প্রশ্ন মন্ত্রীর
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও নতুন করে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির জন্য আবেদন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। তিনি জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির জন্য আর কোনো নতুন আবেদন নেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের আবেদন চুলচেরা যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত

মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ দাফন ও সৎকারে বরাদ্দ সাড়ে ৯ কোটি টাকা
শর্ত অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ সৎকার, সমাহিত ও মরদেহ পরিবহন ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিতরণকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ী থাকতে হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনের সময় বাড়ল
মন্ত্রণালয় জানায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য এর আগে বিভিন্ন সময়ে আবেদন গ্রহণ এবং যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আবেদনকারীদের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় গেজেটভুক্তির বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।

সংসদীয় কমিটি: মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরির সুপারিশ
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সঠিক ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন তৈরির সুপারিশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সুপারিশ করা হয়।












