
পূর্ব বাংলায় পাঙ্খাপুলার, পালকির বেহারা, দারোয়ান, কোচোয়ান ও মেথররা সবাই ছিল বহিরাগত। উত্তর প্রদেশ, ভোজপুর, ওডিশা ও বিহার থেকে আসত এরা। বাংলা ভাষা তারা আধো আধো রপ্ত করেছিল। মূলত বাংলা ভাষার প্রতি তাদের গভীর আবেগ থাকার কথা না।

এ শতাব্দীর শেষে প্রায় দেড় হাজার ভাষার কথ্য রূপ বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন গবেষকেরা। এখন যে গতিতে ভাষা বিলুপ্ত হচ্ছে আগামী ৪০ বছর পর এই মাত্রা তিন গুন পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিক্ষার বিস্তার এবং গ্রাম ও শহরের পার্থক্য ঘুচে আসা ভাষাকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এতে ভাষার বৈচিত্র

একটি যন্ত্র তখনই স্বয়ংক্রিয় হয়ে ওঠে যখন সেটিকে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া যায়। এই নির্দেশনা দেওয়ার কাজটি করে মানুষই। আর সেটি হতে হয় বিশেষ কাঠামোবদ্ধ নির্দেশনা। এই কাজটি সহজ করতেই মানুষ উদ্ভাবন করেছে যন্ত্রের জন্য উপযোগী ভাষা।

যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা মায়ের মুখের ভাষা বাংলায় কথা বলছি ৭১ বছর, তাঁদের উত্তরসূরিরা বলছেন, তাঁরা অবহেলিত, সরকার-রাষ্ট্র কেউ তাঁদের খবর রাখে না। অনেক ভাষাশহীদ পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তাঁরা সরকারের কোনো সহায়তা পাননি।