
রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর বাবা কাওসার আলী ও ছেলে জিয়ারুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ফায়ার সার্ভিস মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। কাটাখালী থানায় এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

বাড়িটি পদ্মা নদীর তীররক্ষা বাঁধের সঙ্গেই। বাড়ির সামনে দিয়েই বয়ে গেছে পদ্মা। আগে তাঁদের বাড়ি ছিল নদীর ওপারে ভারতীয় সীমান্ত লাগোয়া চর খিদিরপুরে। সেই বাড়ি নদীতে বিলীন হলে তাঁরা এ পারে চলে আসেন বছর দশেক আগে। কিন্তু এখনো তাঁদের জীবন-জীবিকা নির্ভর করে নদীর ওপর। এই নদীই গতকাল কেড়ে নিয়েছে জাহেরা বেগমের স্বা

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয়জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাবা ও ছেলে নিখোঁজ রয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরের বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদীর মাঝামাঝি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মাসহ প্রধান তিনটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে পদ্মা নদীর অন্তত তিনটি স্থানে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও স্থায়ী নদীশাসনের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।