
দেশের ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বড় সমস্যা খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণ আদায়ে মামলা করেও ব্যাংকগুলোর কোনো লাভ হচ্ছে না। আইনি জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা এবং স্থগিতাদেশের কারণে ব্যাংকের পাওনা আদায় কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

চলতি বছরের জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

খেলাপি ঋণ আদায়ে মামলানির্ভরতার বাইরে গিয়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও সক্ষমতার ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করবে...

এই উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ‘নো উইন, নো পে’ ভিত্তিতে চুক্তি করা হয়েছে। অর্থাৎ, সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারের আগে ব্যাংকগুলোকে কোনো অর্থ দিতে হবে না। প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব খরচে অনুসন্ধান চালাবে এবং সম্পদ উদ্ধার হলে তার একটি অংশ পারিশ্রমিক হিসেবে পাবে...