
একসময় দেশের বাইরে ভ্রমণ বা কেনাকাটার ক্ষেত্রেই বাংলাদেশিদের কাছে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেশি ছিল। এখন সেই চিত্র বদলেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সংসারের ব্যয় মেটাতে, পাশাপাশি বিভিন্ন মূল্যছাড় ও কিস্তি সুবিধার সুযোগ নিতে দেশের ভেতরেও দ্রুত বাড়ছে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন।

সারোয়ার হোসেন ২০১৭ সালে কর্মরত থাকা অবস্থায় এক গ্রাহক তাঁর নামে একটি ক্রেডিট কার্ড নেন। পরে প্রয়োজন না হওয়ায় গ্রাহক কার্ডটি ব্যবহার না করে ব্যাংকে ফেরত দিলেও সারোয়ার হোসেন কার্ডটি ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন। ভুয়া মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা ব্যবহার করে তিনি কার্ডটির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন

নগদের বদলে কার্ডে ঝোঁক বাড়ছে মানুষের। দৈনন্দিন খরচ, ভ্রমণ ও অনলাইন কেনাকাটায় ক্রেডিট কার্ড এখন ক্রমেই স্বাভাবিক মাধ্যম হয়ে উঠছে। তবে এই প্রবণতার মাঝেই সাম্প্রতিক সময়ে এই লেনদেনে হঠাৎ কিছুটা ধীরগতি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারির তুলনায়...

ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা প্রায় দ্বিগুণ করে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে এ ধরনের ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ শতাংশ। আগে গ্রাহকেরা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে জামানত ছাড়া সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা পেতেন।