রেকর্ড গড়ার কাছাকাছি গিয়ে ফিরে আসার গল্প নোভাক জোকোভিচের জন্য নতুন কিছু নয়। উইম্বলডনে স্বপ্নভঙের পর এবার ইউএস ওপেনও শেষ জোকোভিচ। ইউএস ওপেন থেকে তাড়াতাড়ি বিদায়ঘণ্টা বেজে যাওয়ার দায় স্বীকার করেছেন জোকোভিচ।
ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে জোকোভিচ খেলেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্সেই পপিরিনের বিপক্ষে। বাংলাদেশ সময় আজ সকালে হয়েছে তৃতীয় রাউন্ডের এই ম্যাচ। এই ম্যাচে প্রথম দুই সেটেই ৬-৪ গেমে জেতেন পপিরিন। তৃতীয় সেটে ৬-৩ গেমে জিতে ঘুরে দাঁড়ান জোকোভিচ। অতীতে এমন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসংখ্য ম্যাচ জিতেছেন তিনি। এবার আর সেটা হয়নি। চতুর্থ সেট ৬-৪ গেমে পপিরিন জিতলে তৃতীয় রাউন্ডেই থেমে যায় জোকোভিচের পথচলা। হারের পর সার্বিয়ান টেনিস তারকা বলেন, ‘এটা আমার জন্য বাজে এক ম্যাচ। নিজের সেরার ধারে কাছেও ছিলাম না।’
পুরুষ ও নারী মিলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ২৪ বার গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন মার্গারেট কোট ও জোকোভিচ। সংখ্যাটাকে ২৫ করার সুযোগ ছিল এবারের ইউএস ওপেনে জোকোভিচের সামনে। তবে তৃতীয় রাউন্ডে বিদায় নেওয়ায় অপেক্ষাটা বাড়ল সার্বিয়ান টেনিস তারকার। জোকোভিচ বলেন, ‘গ্র্যান্ড স্লামের কারণে অবশ্যই আপনার ভেতর অনুপ্রেরণা কাজ করবে। তবে নিজের খেলাটাই খেলতে পারিনি। এটাই আসল কথা। এসব টুর্নামেন্টে এমনটা হয়েই থাকে।’
প্যারিস অলিম্পিকে কার্লোস আলকারাসকে হারিয়ে ক্যারিয়ারের ‘গোল্ডেন স্লাম’ জিতলেন জোকোভিচ। ছেলে-মেয়ে মিলিয়ে পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে সিঙ্গেলে জোকোভিচ এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন। এক মাস না যেতেই সার্বিয়ান টেনিস তারকাকে ইউএস ওপেনে খেলতে নামতে হয়েছে। ক্লান্তির কথা স্বীকার করে জোকোভিচ বলেন, ‘শারীরিকভাবে তেমন ফিটও ছিলাম না।’
রজার ফেদেরার, রাফায়েল নাদাল, জোকোভিচ—টেনিসের ‘বিগ থ্রি’র কাউকে এবার তাহলে দেখা যাচ্ছে না গ্র্যান্ড স্লাম জিততে। কারণ ফেদেরার আগেই টেনিসকে বিদায় বলেছেন। নাদাল তো ইউএস ওপেন শুরুর আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, এবার তিনি থাকছেন না। জোকোভিচের আগে গতকাল অঘটনের শিকার হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছেন আলকারাস। নেদারল্যান্ডসের বোটিং ফন ডি জান্ডশুপের কাছে গতকাল সরাসরি সেটে (৬-১,৭-৫, ৬-৪ গেমে) হেরেছেন আলকারাস।
আরও পড়ুন: এটাই কি টেনিস ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটন

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে